বরিশালের পতাং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন বরিশালের পতাং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
দৈনিক ইত্তেফাকের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিক মাহবুব শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- অধ্যাপক  শাহআলম সরদার (টেনু), বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল বাতেন, ডা. হারুন অর রশিদ, জাকির হোসেন নান্নু এবং পতাং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. মাসরুল আলম নাসির মিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য ছিল ‘নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালনা ও সুবিধা বঞ্চিতদের সঠিক সুবিধা প্রদান’। 
 
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনে ছিল ‘গ্রাম বাংলা পাঠাগার’ এর উদ্বোধন। পতাং উচ্চ বিদ্যালয়েরর  প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. শাহআলম সরদার, জাকির হোসেন নান্নু, ডা. হারুন অর রশিদ, মোহাম্মদ আবদুল বাতেন, মোতাহার হোসেন হাওলাদার (প্রাক্তন শিক্ষক), অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট  সৈয়দ মাসুদুর রহমান (বাহাদুর) ও ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন হাওলারসহ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে ফিতা কেটে পাঠাগারটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে সেখানে বৃক্ষরোপন করা হয়।
IMG0
মাসরুল আলম নাসির মিয়া বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের এই উদ্দ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। আমাদের এই বিদ্যালয়টি বরিশাল তথা তৎকালীন যশোর শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে এসএসসির ফলাফলে শীর্ষে ছিল। আজ তেমনটি নেই। আবার আগের মতো হবে। অত্র অঞ্চলের ছেলে-মেয়েদের সম্পদে পরিণত করার দায়িত্ব আমাদের। এই মহৎ কাজে আমাদের সকলের একটাই পরিচয় হওয়া উচিৎ ‘আমরা ভক্ষক নই, আমরা রক্ষক।’ এই মুহূর্ত থেকে  আমি ‘গ্রামবাংলা পাঠাগার’ এর সঙ্গে একাত্ততা ঘোষণা করছি।
 
মাসরুল আলম নাসির মিয়া পাঠাগারের তহবিলে তাৎক্ষণিকভাবে ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন।  অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে পুরাতন সমাজ সেবামূলক সংগঠন পতাং জাগরণী সংঘের অফিস ভবনটি উদ্ধার করে গ্রামবাংলা পাঠাগারের কাছে হস্তান্তরের ঘোষণা দেন তিনি।
 
জাকির হোসেন নান্নু  তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দিতে আমি গর্ববোধ করি। যারা এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছেন তাদেরকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। ওরা সাহস করে উন্নয়নমূলক একটি ধারা চালু করেছে। এটি আগামীতে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
 
উল্লেখ্য, গ্রামবাংলা পাঠাগারটি নূর হোসেন মামুনের উদ্দ্যোগে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর আগেও বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করেন নূর হোসেন মামুন।
 
ইত্তেফাক/ইউবি