অব্যবস্থাপনা আর সংস্কারের অভাবে রাজবাড়ী জেলার একমাত্র হাঁস-মুরগির খামারের বেহাল দশা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এ খামারটি মুরগি খামারিদের হাঁস-মুরগি ও ডিমের চাহিদা পূরণ করতে না পারায় পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মুরগি খামারিদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। খামার সূত্রে জানা যায়, ১৯৮২ সালে রাজবাড়ী শহরের ভবানীপুর এলাকায় তিন একর জায়গার উপর চারটি শেড দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এই খামারটি। খামার পরিচালনার জন্য মোট ১৪টি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন ছয়জন। ছয়জন আছেন প্রেষণে। অফিস সহকারী ও এমএলএসএস পদ দুটিও রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। শুরু থেকেই হাঁস-মুরগির বাচ্চা পালনের জন্য ২০ হাজার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো। কিন্তু বর্তমানে লোকবল সংকট ও খামারটির দুটি শেড দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় এখন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাঁস-মুরগি পালনের জন্য চারটি শেডের মধ্যে দুইটি শেডের অবস্থা জরাজীর্ণ। বাকি দুইটি শেড দিয়ে হাঁস-মুরগি পালন করা গেলেও অবস্থা নাজুক। এছাড়াও খামারের প্রশাসনিক ভবন ও বিক্রয়কেন্দ্র বাদে, ব্যবস্থাপকের বাসভবন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আবাসিক ভবনগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়রা জানায়, এই সরকারি খামার থেকে খামারিদের চাহিদা অনুযায়ী হাঁস-মুরগি ও ডিম উত্পাদন না হওয়ায় বেশি টাকা দিয়ে বাইরের জেলা থেকে হাঁস-মুরগি ও ডিম ক্রয় করে আনতে হচ্ছে। সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নূরুল্লাহ্ মোঃ আহসান বলেন, খামারের ভবনগুলো সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু