ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টুসহ ১৭ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন পৌর যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব। ঘটনার ১৮ দিন পর রবিবার রাতে মাছ, মাছের খাবার, ইউরিয়া সারসহ ৩৫ লাখ টাকার মালপত্র লুটের এ অভিযোগে মামলা দায়েরের কথা নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই তালুকদার।
ঈশ্বরদী থানায় দায়ের করা এজাহারে পৌর মেয়র মিন্টুকে প্রধান আসামি করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৮ জনসহ অজ্ঞাতনামা ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক শরিফুল হাসান আরিফ, পৌর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক সানোয়ার হোসেন, পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি সানোয়ার হোসেন লাবু, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম রকি, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রবি মোল্লা প্রমুখ।
আলাউদ্দিন বিপ্লব লিখিত এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ১৪ জুন রাত আনুমানিক ৩টার সময় ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টুসহ আসামিরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ ঈশ্বরদীর বিলপাড়া এলাকায় পুকুরের পাহারাদারের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ, ৩৩৫ বস্তা মাছের খাবার, সারসহ যাবতীয় মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু বলেন, মাছ লুটের ঘটনা এবং মামলায় আমাকে আসামি করার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিতও ছিলাম না। এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করলে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
ঈশ্বরদী থানার ওসি আবদুল হাই তালুকদার আরও বলেন, আলাউদ্দিন বিপ্লব বাদী হয়ে একটি এজাহার দাখিল করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/এমআই