বগুড়ায় অপহৃত এনজিও কর্মকর্তা উদ্ধার, নারীসহ গ্রেফতার ৯

এনজিও কর্মকর্তাকে অপহরণের দায়ে চার নারী সদস্যসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
 
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বুধবার ভোররাত পর্যন্ত বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। অপহৃত এনজিও কর্মকর্তা এবং বিকাশের মাধ্যমে নেয়া মুক্তিপণের টাকাও উদ্ধার করেছে পুলিশ। 
 
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে বগুড়া সদরের নিশিন্দারা চকরপাড়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে সুলতান (২৬), হাকির মোড়ের রেজাউল করিমের ছেলে ফুহাদ হাসান মানিক (২৬), দক্ষিণ আটাপাড়ার মৃত আব্দুল বারীর ছেলে মনির (২৮) , বৃন্দাবন দক্ষিণ পাড়ার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে পিয়াস (৩০), একই এলাকার মৃত বুলু মিয়ার ছেলে অঅব্দুল গফুর (৩০)।
 
এ ছাড়া নারী ৪ সদস্যরা হচ্ছে সদরের খামারকান্দি পূর্বপাড়ার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী স্বপ্না বেগম (২৮), জেলার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের শামীম সরকারের স্ত্রী মালা বেগম (২০), বাগেরহাট সদরের সুগান্দি গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে শহরের বৃন্দাবন পাড়ার গফুরের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোছা. শারশীন আকতার (৩০) এবং সদরের দক্ষিণ আটাপাড়ার মুনির হোসেনের স্ত্রী  রেখা বেগম (২২)।
 
পুলিশ জানায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চর বালূয়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছোট ছেলে জাহিদুল ইসলাম এসকেএস ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওর বগুড়া সদরের ঘোড়াধাপ শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত । মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে  জাহিদুল ইসলাম (৩২) কার্যালয় থেকে শহরতলীর মাটিডালীস্থ জনৈক রনি মাস্টারে বাড়িতে যাওয়ার পথে মাটিডালী বিমান মোড় এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টায় জাহিদুলের মোবাইল হতে তার স্ত্রী রিনা বেগমের কাছে মোবাইল করে মুক্তিপণ হিসেবে ৩ লাখ টাকা দাবি করে। পরে জাহিদুলের পরিবার বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা মুক্তিপণ প্রদান করে। অপহরণকারীরা আরও টাকা দাবি করলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
 
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসলাম আলী জানান, রাতভর অবিযান চালিয়ে এই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে । অপহৃত এনজিও কর্মকর্তাকে উদ্ধারসহ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে । চক্রের অপর ২ সদস্য পলাতক রয়েছে। অপহৃত এনজিও কর্মকর্তা জাহিদুলের বড়ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।  
 
ইত্তেফাক/ইউবি