গত ২৪ ঘন্টায় দেশের উত্তরাঞ্চলে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলাসহ দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি হু হু করে বাড়ছে। বহু জায়গায় বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত তিস্তা নদীর উপর নির্মিত গজলডোবা বাঁধের সব ক’টি গেট খুলে দেওয়ায় লালমনিরহাট জেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদী ভাঙন। ইতিমধ্যে তিস্তা-যমুনায় বিলীন হয়েছে বসতবাড়িসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি।
ইত্তেফাক প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর অনুযায়ী জামালপুর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। জামালপুরের ইসলামপুর ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসব জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে লেখাপড়া। বানভাসী অনেক এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
এদিকে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশটিতে নজিরবিহীন বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে। যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে। সেখানে বলা হয়েছে, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ওইসব এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া কয়েকটি নদী অববাহিকায় নজিরবিহীন বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, আসাম, অরুণাচল, সিকিম, ভুটান আর উত্তরবঙ্গের কয়েকটি অঞ্চলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এর ফলে আগামী ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র ও তার শাখা ও উপ-নদীগুলির জলস্তর দ্রুত বাড়বে। সিকিম থেকে আসা অন্যান্য নদীর পানিও দ্রুত বাড়বে।
জামালপুর প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার যমুনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি মারাত্বক ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি চরম অবনতি হয়েছে। ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যার পানিতে ডুবে রবিউলের শিশু পুত্র রিপনের (১০) মুত্যৃ হয়েছে। যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে ৩৩ সে. মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭০ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ,মাদারগঞ্জ,সরিষাবাড়ী ও জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষিরচর, তুলশিপুর এলাকাসহ জেলায় ৬৮ ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ২৬টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জলমগ্ন হয়ে পড়ায় ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯টি উচ্চ বিদ্যালয়, মাধ্যমিক মাদ্রাসা এবং কলেজসহ সর্বমোট ১৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ উচু বাঁধে খোলা আকাশের নীচে কিংবা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি গো খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুর, নাগেশ্বরী ও সদর উপজেলার ৩০টি ইউনিয়নের চর ও দ্বীপচরসহ প্রায় দুই শতাধিক গ্রাম। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এসব এলাকার প্রায় দুই লাখ মানুষ। পাঠদান বন্ধ রয়েছে জেলার দেড় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
ঘর-বাড়িতে পানি ওঠায় বানভাসী মানুষগুলো বাঁধ ও উঁচু জায়গাসহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। বিপুল সংখ্যক বন্যা কবলিত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণও অপ্রতুল।
ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, ভুরুঙ্গামারীতে বানের পানিতে ভেসে এসেছে ভারতীয় এক নারীর লাশ। গতকাল মঙ্গলবার ফুটানি বাজারের পাশে দুধকুমর নদের কিনার থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। লাশটির চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বয়স আনুমানিক ৩০।
লালমনিরহাট প্রতিনিধি জানান, ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি মঙ্গলবার সকাল থেকে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি কুলাঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে তিস্তা ও ধরলা নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের ১৫ টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ধরলার পানির তীব্র স্রোতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউপির শিবেরকুটি এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিস্তার প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে হাতীবান্ধা উপজেলার ধুবনি এলাকার বাঁধ। তিস্তা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে পানি বাড়ার সাথে সাথেই ধরলা ও তিস্তায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে ।
বগুড়া অফিস জানায়, প্রতিদিনই বাড়ছে বন্যার পানি। বন্যায় অনেক ঘরবাড়ি , ফসলী জমি, রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়েছে। পূর্ব বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ এখন পানিবন্দি। অসংখ্য মানুষ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। সেইসাথে এসব বন্যা কবলিত এলাকার শতাধিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় উঠেছে বন্যার পানি। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষাদান কার্যক্রম। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোপাল চন্দ্র সরকার জানান, বন্যার পানি নেমে গেলে শিক্ষকরা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন ।
সারিয়াকান্দি সংবাদদাতা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সারিয়াকান্দির নিকট যমুনা নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৭ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের চকরতিনাথ ও করমজাপাড়া চরে পানির তোড়ে দেড় শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোন কোন এলাকায় ঘরবাড়িতে এখন হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের বসতঘর ও মালামাল অন্যত্রে সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে ।
শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার সোনাতুনি ইউনিয়নে যমুনা নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ ইউনিয়নের ৮টি গ্রামের কমপক্ষে ২ শতাধিক ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ৫শ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গ্রামগুলো হল: ধীতপুর, শ্রীপুর, সোনাতুনি, বানতিয়ার চর, বড় চানতারা, ছোট চানতারা, মাকড়া ও কুরসি। গতকাল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এ সব গ্রামের প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ নতুন করে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারা মাথা গোজার ঠাঁই না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে বানতিয়ার বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী আবুল কাশেম, কুরসি গ্রামের আব্দুস সালাম, ধীতপুর গ্রামের আব্দুর রহিম জানান, বন্যার পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ার পর থেকেই এ ইউনিয়নের এ সব গ্রামে যমুনা নদীর ভাঙন শুরু হয়। সরকারি ভাবে এ ভাঙন রোধে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ ভাঙনের কবলে পড়ে ধীতপুর বাজার ও শ্রীপুর বাজারও বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলীমুন রাজীব বলেন, সোনাতুনি ইউপি চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। সেটি হাতে পেলে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বন্যার পানিতে ডুবে গতকাল উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ব্রজবালা গ্রামের শফিকুলের দুই বছরের শিশু কন্যা বৃষ্টির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
গাইবান্ধার প্রতিনিধি জানান, জেলার সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই ৪ উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি। পানির তোড়ে গাইবান্ধার সদর উপজেলার কামারজানি বন্দরের দক্ষিণ দিকে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০টি ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে হয়েছে। এছাড়া শ্রীপুর ও কামারজানির সীমান্তে সরাইল রেগুলেটরটি ভাঙনের মুখে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড রেগুলেটরটি রক্ষায় ওই এলাকায় বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ব্রহ্মপুত্রের তীরে নিক্ষেপ করছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ১১ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে এখন বিপদসীমার ৩৮ সে. মি. ও ঘাঘট নদীর পানি ১৬ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৪ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি এখানে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও শান্তিরাম ইউনিয়নে ৩০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকে আশ্রয় কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উঁচু স্থান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে পানিবন্দি পরিবারগুলো।
গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা জানান, গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে নোহালী ও লক্ষ্মীটারি ইউনিয়নে শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া উজান থেকে নেমে আসা ঢলে উপজেলার ৭ ইউনিয়নের বিস্তীর্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে । পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ হাজার পরিবার।
সিলেট অফিস জানায়, জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গতকাল বিকাল ৩ টার দিকে সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৩ টি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট ও মৌলভীবাজারের পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ।
এদিকে সিলেটের খুব কাছেই আসাম। সেখানে বন্যা শুরুর খবরে সিলেট অঞ্চলের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। আর হাওরের ফসলহারা মানুষজন চোখে অন্ধকার দেখছেন। বিশেষ করে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার মানুষ বেশি ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উখিয়ার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কসহ অন্যান্য গ্রামীণ সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্যত বন্ধ রয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু