নাগেশ্বরীতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

 
নাগেশ্বরীতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি না পেলেও পানি কমেনি। অপরিবর্তিত রয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। দীর্ঘ জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ বেড়েছে প্লাবিত দেড় শতাধিক গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের। এখনো পানিতে ভাসছে বন্যা আক্রান্ত মানুষ। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন তারা। রাস্তাঘাট এখনো পানিতে তলিয়ে আছে। তৃণভূমি তলিয়ে থাকায় গৃহপালিত পশুগুলোও নিয়ে বিপাকে তারা। জলাবদ্ধতায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষগুলো। এসব এলাকার অর্ধ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান এখনো স্থগিত।
 
বন্যার সাথে কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে ভেসে গেছে মন্নেয়ারকুড়া সাঁকো, ধনিরভিটা ব্রিজ। ভেঙ্গে গেছে দক্ষিণ চর কাপনা, সারিসুরি ওয়াবদা, পাটতলা, ধনিরভিটা, কুমড়িয়ারপাড়, ভেলকারচর বেড়ি বাঁধ। ভেঙ্গে যাচ্ছে চর কাপনা আজগার জলিল আবাসন। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে উত্তর কাপনার অর্ধ শতাধিক বাড়ী, ঈদগাহ মাঠ, মাদ্রাসা। ভাঙ্গছে কাপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
 
অপরদিকে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চলছে বামনডাঙ্গা পাঁচমাথা-কচাকাটা পাগলারকুড়া বেরি বাঁধের। বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, বাড়ী বাড়ী ঘুরে তারা ২ হাজার বাঁশ ও ৬ হাজার বালুর বস্তা সংগ্রহ করে ভাঙ্গন ঠেকাতে কাজ করছেন। ভাঙ্গন বন্ধ বরা গেলে রক্ষা পাবে কুটি বামনডাঙ্গা, মিস্ত্রীপাড়া, লুছনী ও চর মুড়িয়া গ্রামের ৬ শত বাড়ীর ২ হাজার পরিবার।
 
ইত্তেফাক/এমআর