বগুড়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষ উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।
শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি বাড়েনি। এতে করে বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়েই পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর আশ্রয় নিতে ছোট ছোট খুপড়ি ঘর নির্মাণ করছেন তারা। বন্যাদুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দির কুতুবপুর, বয়রাকান্দি, চন্দনবাইশা এবং কামালপুর ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত এসব ইউনিয়নে কমপক্ষে ২০টি গ্রামে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। ঘরে ঘরে পানি উঠায় বানভাসিরা নিজের জায়গা জমি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয় নেয়া স্থানে গৃহপালিত পশু ও পরিবারের সদস্যরা একস্থানে দিনাতিপাত করছে। সরকারি, বেসরকারিভাবে ত্রাণ সহযোগতি দেয়া হলেও চরাঞ্চলে বানভাসিরা বলছে চাহিদামত তারা ত্রাণ পাচ্ছে না।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী হারুন উর রশীদ জানান, বুধবার বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত পানি বাড়েনি, একইভাবে প্রবাহিত হচ্ছে।
বগুড়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নুরে আলম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ধুনট, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ হয়েছে। সোনাতলায় আরো ৫০ হাজার টাকার শুকনো আবার বিতরণ করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি