‌‌‘বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে’

 
পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেছেন, বন্যায় নদী এলাকার আশপাশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় এবং নিরাপত্তায় থাকতে পারে, সরকার সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর যারা নদীর তীরে এবং বাঁধের অভ্যন্তরে বসবাস করে, বন্যার সময় তাদের কিছুটা সমস্যা হবে। এই এলাকার মানুষকে নদীর ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষায় সিমলা থেকে খুদবান্দি পর্যন্ত এলাকায় সাড়ে ৪ শত কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একনেক মিটিংয়ে প্রকল্পটি পাস হওয়ায় পর এ বছরই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। 
 
তিনি বলেন, পাশাপাশি ভাঙ্গনকৃত রিং বাঁধ ও তৎসংলগ্ন পুরাতন নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধও আরো শক্তিশালী করা হবে। আর বাঁধ নির্মাণে পাউবোর যদি কোনো গাফিলতি থাকে সেটি বিভাগীয় ভাবে খতিয়ে দেখা হবে। 
 
আজ সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকায় নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের ভেঙ্গে যাওয়া রিংবাঁধ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
 
চৌহালী উপজেলা রক্ষা বাঁধের ভাঙ্গন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ওই বাঁধ রক্ষায় একটি বড় প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদীতে পানি শুকানোর পর শুস্ক মৌসুমে প্রকল্পটির পূর্ণনির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।
 
পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীরপ্রতিক, মন্ত্রনালয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোসাদ্দেক হোসেন, রাজশাহী জোনের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, বগুড়ার তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বাবুল শিং, সিরাজগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক আবু ইউসুফ সূর্য্য, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সিরাজগঞ্জ পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম উপস্থিত ছিলেন।  
 
ইত্তেফাক/কেকে