সিরাজগঞ্জে মহাসড়কে বেহাল দশা

 
সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের বেহাল দশার কারণে প্রতিদিনই হাটিকুমরুল গোল চত্বর থেকে নলকা ব্রিজ পর্যন্ত বাড়ছে যানজট। এতে ভোগান্তিতে পড়ছে উত্তরবঙ্গের ২৪ জেলা সহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষ।
 
এছাড়াও হাটিকুমরুল থেকে শাহজাদপুর ও হাটিকুমরুল থেকে চান্দইকোনা মহাসড়কের প্রায় ১৯ কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য খানাখন্দ। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ রাস্তায় খানাখন্দ আর সরু দুইটি সেতু পার হতেই এই যানজটের সৃষ্টি হয়। আর সাথে রয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। তবে স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। তবে বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।
 
সরজমিনে এ মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার হাটিকুমরুল মোড়, উল্লাপাড়া, চান্দাইকোনা-ঘুড়কা ও হাটিকুমরুল-বনপাড়া সড়কের মহিষলুটি-খালকুলা মহাসড়কের বিটুমিন ও পাথরের মিশ্রণ উঠে গেছে। হাটিকুমরুল মোড়ে কয়েক মাস আগে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করার এক সপ্তাহ পর নতুন করে খানাখন্দ দেখা দেয়। এসব মহাসড়ক দিয়ে ঢাকা, উত্তরবঙ্গ, রাজশাহী ও খুলনার দিকে প্রতিদিন প্রায় ১৪-১৫ হাজার যানবাহন চলাচল করে। এমন অবস্থা জেলার আঞ্চলিক সড়কগুলোও।
 
স্থানীয়দের অভিযোগ গত রোজার ঈদের আগে প্রায় দুই কোটি টাকা খরচ করে সড়কটির হাটিকুমরুল মোড়ে সংস্কার কাজ করা হলেও এক সপ্তাহের মাথায় আবারও চলাচল অনুপযোগী হয়ে যায়। ঈদ এলেই প্রতিবছর এ ধরণের সংস্কার কাজ করা হয়।
 
সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, 'মহাসড়কের এ অংশে তিনটি ব্রিজের কাজ করা হচ্ছে। আর মহাসড়কের খানাখন্দ ঠিক করার কাজও করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টির কারণে কাজের কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও হাটিকুমরুল মোড়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি সেকশনে 'ক্লোভার-লিফ' নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নলকা থেকে সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ে মুলিবাড়ি পর্যন্ত চারলেন রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
 
ইত্তেফাক/জামান