ময়লা-আবর্জনা ফেলে ভরাট করা হচ্ছে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী গৌরনদীর টরকী বন্দরের জনগুরুত্বপূর্ণ খালটি। এছাড়া দীর্ঘদিন থেকে নানাভাবে খালটি দখলেরও প্রতিযোগিতা চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গৌরনদী পৌরসভার সুইপাররা দীর্ঘদিন যাবত্ বন্দরের জমানো ময়লা-আবর্জনা টরকীর খালে ফেলছে। প্রভাবশালীরা খালের পাড় বেঁধে দোকানপাট ও বাড়িঘর নির্মাণ করে খাল দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া খালের পাড়ে গড়ে ওঠা কয়েকটি মুরগির খামারের ময়লা-আবর্জনা প্রতিনিয়ত খালে ফেলা হচ্ছে। ফলে খালের গভীরতা ও প্রশস্থতা কমে গেছে, দূষিত হচ্ছে পানি। এছাড়া আবাসিক এলাকার বাসাবাড়ি ও মিল-কারখানার পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
গত ২ দিন আগে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, গৌরনদীর টরকী বন্দর-ভায়া নন্দনপট্টি-টু আগৈলঝাড়ার বাসাইল পর্যন্ত বিস্তৃত ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালটির অন্য স্থানে গভীর থাকলেও গোড়ার প্রায় এক কিলোমিটার অংশের পানি কমে গেছে।
এ খালটির উত্পত্তি পালরদী নদী থেকে হলেও সংযোগ স্থলের গভীরতা একবারেই কম। স্থানীয় টরকী বন্দরের ব্যবসায়ী নিরব আলী (৫৫) জানান, মাত্র ৭/৮ বছর আগেও আগৈলঝাড়াসহ পশ্চিম অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও এলাকার লোকজন নৌকায় মালামাল লইয়া টরকী বন্দরে আইতো যইতো। অহন নৌকা চলে না, ব্যবসায়ীদের সমস্যায় পড়তে হয়। গৌরনদী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর এলেবালী জানান, শীত মৌসুমে খালটি শুকিয়ে যাওয়ায় গোড়ায় বাঁধ দিয়ে ডাবল লিফটিং প্রক্রিয়ায় ২৫/৩০টি ইরি ব্লেক পানি সেচ দেওয়া হয়। এ কারণে খালটি দ্রুত খননের দাবি জানান তিনি।
ইত্তেফাক/নূহু