নিতাইয়ে রাস্তা ভেঙে যান চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের নিতাই ডাংগাপাড়া হতে নিতাই কুঠিয়ালপাড়া পর্যন্ত দুই কিলোমিটার গুরুত্বপুর্ন গ্রামীণ সড়ক সম্পুর্ন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কুঠিয়ালপাড়া গ্রামের অহেদুলের বাড়ির সামনে গত বছর এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে এ বাঁধটি নির্মাণ করেছিল। নির্মিত বাঁধটি ভেঙ্গে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে পাঁচ গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ।

গত সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, নিতাই ইউনিয়নের সেরাজুলের বাড়ি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আনাম আলীর বাড়ি হয়ে মধুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা। বর্ষার পানি জমে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পুরো সড়কে হাঁটুকাদা। এছাড়া গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে অহেদুলের বাড়ির সামনে রাস্তার বাঁধটুকু ভেঙ্গে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ। দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করছে এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা।

এলাকাবাসী জানান, রাস্তাটি দিয়ে নিতাই হাটখোলা, নিতাই কাচারীপাড়া, বাহাগিলি ডাংগার হাট সহ পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। তাছাড়া বহু শিক্ষার্থী এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। এ সড়কের আর কোন বিকল্প নেই। সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তাটি চাষ দেয়া ধান ক্ষেতের জমিতে পরিণত হয়। এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ হওয়া সত্বেও রাস্তাটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই।

নিতাই কুঠিয়ালপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেন জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা উপচে পড়ে কাঁদা। পরো রাস্তাটি কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে থাকে।

ডাংগাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, এলাকাবাসী ও স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের মধ্যে আসা যাওয়া করতে হয়। এত দুর্ভোগের পরও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জানান, রাস্তাটির অবস্থা খুব খারাপ। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করতে খুব তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সংস্কার করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী এস এম কেরামত আলী নান্নু পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য ছুটিতে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইত্তেফাক/নূহু