ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্বপ্ন সাজাতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘স্বপ্ন সাজাই’ আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ: অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ আহ্বান জানান তারা।
গোলটেবিল বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশর স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই আমরা এত দূর এগিয়ে আসতে পেরেছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও ছোট ছোট স্বপ্ন থেকে বড় স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি।
তিনি আরো বলেন, যেকোনো বড় কাজের পেছনে স্বপ্ন দেখাটাই বড় দায়িত্ব। আমাদের সংবিধানে অনেক মৌলিক অধিকারের কথা উল্লেখ আছে। স্বপ্ন দেখার অধিকারও হচ্ছে মৌলিক অধিকার। স্বাধীনতা উত্তর-পূর্ব সময়ে বাঙালির স্বপ্ন দেখার অধিকারকে বারবার চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যখনই স্বপ্ন দেখতেন তখনই তার ওপর নির্মম নির্যাতন ও অত্যাচার নেমে আসত। তাকে বারবার কারারুদ্ধ করা হতো। কিন্তু তিনি স্বপ্ন দেখে আর স্বপ্নের কথা বলে সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন বলেই আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি।
ডিজিটাল বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি অপার সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। এটিকে যদি আমারা ব্যবহার করতে পারি তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। এজন্য ডিজিটাল প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে।
স্বপ্ন সাজাইর প্রেসিডেন্ট রোকেয়া প্রাচীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন পোগ্রামের সহ-সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। গোলটেবিল বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- ৭১ টেলিভিশনের বার্তা পরিচালক ইশতিয়াক রেজা, ডা. মোহিত কামাল, লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী সুভাষ সিংহ রায়, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী চঞ্চল রায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবু সাঈদ প্রমুখ।
ই্ত্তেফাক/এমআর