সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের ভাণ্ডারখাল নদীতে ব্রিজের অভাবে দুটি ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। ওই এলাকার স্কুল, কলেজের পড়ুয়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় লোকজন প্রতিদিন নড়বড়ে লম্বা বাঁশের চাঁটাই বিছানো সাঁকো দিয়ে পার হতে হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে।
এ উপজেলার তাহিরপুর সদর ও দক্ষিণ বড়দল দুটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী নদীটির উপর একটি ব্রিজ না হওয়ায় এ দুটি ইউনিয়নে ও উপজেলা সদরের সাথে সংযোগ স্থাপনও হচ্ছে না। উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ এ নদীতে সেতু নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবী জানিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
রসুলপুর নুরুজ্জামান নূর, টাকাটুকিয়া গ্রামের মনি স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকার কৃষকগণ বলেন, এ নদীর উপর একটি ব্রিজ না থাকায় আর নড়বড়ে বাঁশের সাকোঁর কারণে স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পাঠিয়ে চিন্তায় থাকি। ব্রিজ নির্মাণ হলে আমরা উপজেলা সদরে যোগাযোগ সহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের চলাচলের পথ সুগম হত ভোগান্তি থেকেও মুক্তি পেতাম।
তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, এই নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য এক বছর পূর্বেই এল জি ই ডি কর্তৃক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। এখন এই আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না বা কোন পর্যায়ে আছে খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, এই নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে এই এলাকার জনসাধারণ ভাণ্ডারখাল নদী পার হয়ে উপজেলা সদরে অন্যান্য ইউনিয়নের সাথে সহজে চলাচলের সুবিধা এবং ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারত খুব সহজে।
ইত্তেফাক/জামান