তাড়াশে রাস্তা না থাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত!

তাড়াশ উপজেলা সদরে রাস্তা না থাকায় প্রায় এক যুগ ধরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা। এখানকার কোনো লোক গুরুতর অসুস্থ হলে চিকিত্সা সেবা নেওয়ার জন্য হাসপাতালে যেতে পারে না।

বেশি সমস্যায় পড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। বাঁশের সাঁকো থেকে পানিতে পড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেক অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে স্কুল শিক্ষক মির্জা ফারুক আহমেদ জানান, তাড়াশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে তাড়াশ দক্ষিণপাড়া তফের আলীর বাড়ি পর্যন্ত আটশো ফুট জায়গার ওপর রাস্তা না থাকায় ৩৫টি পরিবারের লোকজনকে প্রতিনিয়ত যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাড়ার সাধারণ লোকজনের উদ্যোগে তৈরি চারশো ফুটের একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রায় এক যুগ ধরে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। শুষ্ক মৌসুমেও একটি পুকুর পাড়ের এক ফুটেরও কম প্রস্থের সরু রাস্তার ওপর দিয়ে যাতায়াত করা খুবই কষ্টদায়ক।

তাড়াশ দক্ষিণ পাড়ার দেড় শতাধিক মানুষ বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে তারা একটি রাস্তার প্রতীক্ষায় রয়েছেন।

ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি তারা লিখিতভাবে এবং মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে কেবলই তারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে তাড়াশ দক্ষিণপাড়া তফের আলীর বাড়ি পর্যন্ত আটশো ফুট রাস্তা নির্মাণের আশ্বাসই দিয়ে গেছেন।

তাড়াশ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাবুল শেখ স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, প্রয়োজনে যৌথভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করা যেতে পারে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন জানান, সরেজমিনে বাঁশের সাঁকোর স্থানটি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/নূহু