দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের একমাত্র ব্যস্ততম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী অংশের প্রায় ২৫ কিলোমিটার অংশ এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছে সহস্রাধিক যাত্রীবাহী ও মালবাহী পরিবহন। এ রুটে নিয়মিত চলাচলকারী বাস ও পরিবহনের চালক এবং স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল সড়কের দুইপাশ খুঁড়ে রাখায় প্রবল বর্ষণে পুরো মহাসড়কটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে দুর্ঘটনা। পাশাপাশি প্রায়ই মহাসড়কে যানজট লেগে রয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে মহাসড়কের দুইপাশ খোঁড়াখুঁড়ি করে ফেলে রাখায় বরিশালের প্রবেশদ্বার ভুরঘাটা, ইল্লা, বার্থী, কটকস্থল, নীলখোলা, টরকী, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, আশোকাঠী ফিলিং স্টেশন ও ব্র্যাক অফিসের সামনে, হরিসেনা, কাছেমাবাদ, লালপুল, মাহিলাড়া, বেজহার, বাটাজোর অংশের অধিকাংশ স্থানের মূল সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়ে এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীর ভুরঘাটা থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়কের বর্ধিতকরণ কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের জুলাই মাসে। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে কিন্তু এখনও অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়নি। বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী দুলাল কুমার প্রামাণিক জানান, বর্ষণের কারণে বিটুমিন দিয়ে কাজ করা যাচ্ছে না, ফলে মহাসড়কের বর্ধিতকরণ কাজ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে। বৃষ্টি কমলেই দ্রুতগতিতে পুরো কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইত্তেফাক/নূহু