মাগুরায় নিরাপত্তার জন্য সাড়ে ছয়শ সিসি ক্যামেরা

নিরাপত্তার জন্য মাগুরায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে সাড়ে ৬ শতাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ফলে জেলা শহরে অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে কমেছে।
 
জানা গেছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেসহ বিভিন্ন অফিস, ব্যাংক, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার কারণে সন্ত্রাসী, চুরি, চাঁদাবাজী, ইভটিজিং ও মাদক বিক্রেতাদের দৌরাত্ম কমেছে। ক্যামেরাতে ফুটেজ উঠার ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ অপরাধ করছে না। শহরের ঢাকা রোড বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাজার, চৌরঙ্গী মোড়, সাব-রেজিস্ট্রি মোড়, ভায়না,  জজকোর্টের সামনে, সরকারি মহিলা কলেজগেট, এসপি অফিস, প্রেসক্লাব, বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজসহ বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এছাড়া অনেক ব্যবসায়ী নিজ উদ্যোগে হোটেল, ওষুদের ফার্মেসী, মার্কেট ও তাদের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান শহরের নতুন বাজার শহর কালী মন্দির ও আঠারখাদা সিদ্ধেশ্বরী মঠ ও মন্দিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সড়ক, অফিস, ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেটে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি কোন অপরাধ সংঘটিত হলে সিসি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এদিকে শুধু জেলা শহরে নয় উপজেলা এমনকি গ্রামের বড় বড় বাজারে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সিসি ক্যামেরার কারণে অপরাধীরা অপরাধ করতে ভয় পাওয়ায় অপরাধ প্রবণতা কমছে। 
 
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাবলু জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানোয় অপরাধ প্রবণতা অনেকে কমেছে। প্রকাশ্যে কেউ আপরাধ করতে সাহস পাচ্ছে না। 
 
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, জেলায় সাড়ে ৬শত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে অপরাধ প্রবণতা অনেক কমেছে। মামলা সংখ্যা কমেছে। মানুষ এর সুফল পাচ্ছে। অপরাধীদের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে।
 
ইত্তেফাক/এমআই