শেখ কামালের জন্মদিনে মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের মিলাদ ও আলোচনা সভা

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে সাইয়েদ বিস্ত্রু হোটেলের বলরুমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শহীদ শেখ কামালের ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন। 
 
মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহবায়ক রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে ও এডভোকেট মিনহাজ উদ্দিন মিরানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. অহিদুর রহমান অহিদ, যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ বাদল,মাহতাব খন্দকার,হাফিজুর রহমান ডাবলু, শফিকুর রহমান চৌধুরী, হুমায়ূন কবির, নুর মোহাম্মদ ভুঁইয়া, শামসুল ইসলাম,প্রকৌশলী রাহাদুজ্জামান,আব্দুর রহমান, মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন এবং মালয়েশিয়া কৃষক লীগ সভাপতি ইব্রাহিম কে রাজা। 
 
সভাপতির বক্তব্যে মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের আহবায়ক এম রেজাউল করিম রেজা বলেন,পরোপকারী মন থাকলে অল্প বয়সেই সমাজ-হিতৈষী কত কিছু করা যায় তার নজির সৃষ্টি করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামাল। চির তরুণ শেখ কামাল যে মাসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সে মাসেই শাহাদাত বরণ করেছিলেন শেখ কামাল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্ম ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে শেখ কামালকেও হত্যা করেছিল খুনিরা। শেখ রাসেলের মত শিশুকেও ঘৃণ্য খুনিরা সেদিন রেহাই দেয়নি। খেলাধুলায় বিপ্লব করে সমাজ পরিবর্তন করার চেষ্টা করছিলেন শেখ কামাল।
 
বক্তারা বলেন, ক্রীড়া, সঙ্গীত, রাজনীতি, সংগঠন, মুক্তিযুদ্ধ, সেনাবাহিনী ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে তিনি সংক্ষিপ্ত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। শেখ কামালের মত তরুণের জীবনী আমাদের বর্তমান সময়ের অনেক দিশেহারা মানুষের পথ-প্রদর্শক হতে পারে। কিন্তু শেখ কামাল নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং এর অন্যান্য সহযোগী সংগঠনসমূহের তেমন উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড চোখে পড়েনা। অন্যরা যখন শেখ কামাল নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালায় কিংবা সত্য প্রচারণা চালায়না, তখন আওয়ামীলীগের, ছাত্রলীগের কিংবা যুবলীগের উচিত এমন কিছু করা যাতে দেশের কোটি কোটি মানুষ শেখ কামালের উজ্জ্বল জীবনের ঘটনাগুলো জানতে পারেন।
 
আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, শ্রী প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, হুমায়ূন কবির আমির, বাকী মিয়া, রফিক আহমেদ খান, মাসুদ রানা, সাইফুল ইসলাম, কাজী আব্দুল কাইয়ুম, ডাঃ তারেক রহমান, জহির উদ্দিন বাদশাহ, চান মিয়া, এনামুল হক, আজিজুর রহমান, মোঃ আবুল কালাম মালয়েশিয়া ছাত্রলীগ নেতা অর্নিবানসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির