মধুখালীতে কাঁচা মরিচের কেজি ১৬০, পেঁয়াজ ৬০ টাকা

 
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা সদরের হাটে হঠাৎ করে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের পাইকারি ও খুচরা মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ক্রেতারা চাপে পড়েছে।
 
মধুখালী উপজেলার শুক্র ও সোমবার এই দুইদিন মধুখালী সদর ও কামারখালী হাট বসে। কিন্তু মরিচের ও পেঁয়াজের আড়ত মধুখালী সদর বাজারে। এখান থেকে প্রতিদিন ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলা শহরে মধুখালী থেকে কাঁচা মরিচ ব্যাপারীরা খরিদ করে বাজারজাত করেন। আর পেঁয়াজ সপ্তাহে দুইদিন শুক্র ও সোমবার হাটে কৃষকরা হাটে বিক্রি করেন। পেঁয়াজও ঢাকাসহ বেশ কয়েটি জেলা শহরে যায়।
 
মধুখালী ও কামারখালী বৃহৎ দুটি হাটে ক্রেতা সাধারণ সাপ্তাহিক দুইদিনের হাটে কাঁচা বাজারসহ তরিতরকারি কেনা কাটা করে থাকে। শুক্রবার হাটে অনেকে বাজার করতে এসে ৮০ টাকা কেজি দরের কাঁচা মরিচ ১৩৫ থেকে ১৫০ টাকা এবং ৪০ টাকার পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০টাকা থেকে ৬০ টাকা হওয়ায় তাদের কেনাকাটায় হিমশিম খেতে হয়।
 
মধুখালী মরিচ বাজারের বড় আড়ৎদার মো. আতিয়ার রহমান মোল্যা জানান, শুক্রবার হাটে হঠাৎ মরিচের দাম পাইকারি ৪৫০০ টাকা থেকে ৫৪০০ টাকা মণ পর্যন্ত খরিদ করতে হচ্ছে। আর খুচরা প্রতি কেজি ১৩৫ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার মরিচের বাজার ছিল ৩৫০০ টাকা থেকে ৪০০০হাজার টাকা। আর খুচরা মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ১০০টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহ থেকে শুক্রবার ১৫ থেকে ২০টাকা প্রতি কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আড়ৎদার জানায়, হালকা ও ভারী বর্ষণের কারণে মরিচ গাছ মরে যাচ্ছে চাহিদার তুলনায় যোগান কম। বেপারীরা প্রয়োজন মেটাতে বেশি দামে খরিদ করে বিভিন্ন জেলা শহরে নিয়ে ওই এলাকার চাহিদা মেটাতে কিনছেন।
 
ইত্তেফাক/জামান