জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ৮টি উপজেলার মানুষ এখন বন্যা কবলিত। রানীনগর মান্দা ও আত্রাই উপজেলার ১৫টি স্থানে আত্রাই ও ছোট যমুনার বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলা সদরের সঙ্গে আত্রাই উপজেলার ও নাটোর জেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যার পানিতে নওগাঁর ৯টি উপজেলার এক লাখ হেক্টর বিঘার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে এবং কয়েক হাজার পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৩ লক্ষাধিক লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপৎসীমার এখনো উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আত্রাই নদীর মহাদেবপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩০ সেন্টিমিটার, পত্মীতলায় ২২০ সেন্টিমিটার, মান্দায় ১২০ সেন্টিমিটার, ধামইরহাটে শিমুলতলি বিজিবি হার্ড পয়েন্টের ২১১ সেন্টিমিটার এবং নওগাঁ শহরের ৯০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক ড. আমিনুর রহমান জানান, জেলায় খাদ্য মজুদ আছে সাড়ে ৭৪ মেট্রিক টন এবং নগদ টাকা মজুদ আছে ৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। প্রয়োজনীয় চাহিদা সরকারের নিকট দাখিল করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ৩৩ মেট্রিকটন চাল এবং ৫২ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি