উজান থেকে নেমে আশা পাহাড়ী ঢল ও ভারী বর্ষণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে অস্বাভাবিকভাবে পানি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি না বাড়লেও কমেনি। আজ বৃহস্পতিবার যমুনার পানি বিপদসীমার ১৫২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দ্রুত পানি বাড়ার ফলে কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালি, শাহজাদপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়নের তিন শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ১৫৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলিতে এ পর্যন্ত ৬হাজার ৬ শত ২৩ জন বানভাসী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব। নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানান, যমুনার পানি আজ বাড়েনি। জেলার মোট ৭৮ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের মধ্যে ৬/৭ কিলোমিটার ঝুকির মধ্যে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুকিপুর্ণ এলাকাগুলো নজরদারিতে রেখেছে।
জেলা ত্রাণ অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলা ৫টি উপজেলার ৭৭ হাজার ৮০০ পরিবারের ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে নগদ ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ১৮২ মেট্রিকটন চাল বিতরন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/কেকে