গাইবান্ধায় বৃহস্পতিবার ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও ঘাঘট নদীর পানি সামান্য কমলেও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার মধ্য রাতে সাদুল্লাপুরের পুরাণ লক্ষ্মীপুর দ্বীপ এলাকায় ঘাঘট নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে নতুন করে আরো ১০টি গ্রাম ও হাজার হাজার বিঘে ফসলী জমি প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯০ সেন্টিমিটার, ও ঘাঘট নদীর পানি ৭ সে.মি. কমে বিপদসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে করতোয়া নদীর পানি এসময় ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্য নদীগুলোর পানিও বিপৎসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম মণ্ডল জানান, বিদ্যালয় চত্বর ও কক্ষে পানি উঠায় জেলায় দুইশ' ৫৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে অন্যান্য বিদ্যালয়ের লেখাপড়া চললেও বন্যা কবলিত বিদ্যালয়গুলোর জন্য আগামী ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে স্থগিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল জানান, এবারের বন্যা কবলিত মানুষদের জন্য ৬শ' ২৬ মেট্রিকটন চাল ও ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা বন্যা দুর্গত এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে। মজুদ রয়েছে ৬৪ মেট্রিক টন চাল ও ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া আরও ৫শ' মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/জামান