রোবোটিক এবং সামাজিক মাধ্যম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা ‘স্টেম’ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স জোল রাইফম্যান। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশ মার্স রোভার টিম, দ্যা রোবট অলিম্পিয়াড হাই স্কুল টিম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিয়ার টু পিয়ার (পিটুপি): ফেসবুক গ্লোবাল ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ টিমকে সম্মান জানাতে সংবর্ধনার আয়োজন করে আমেরিকান সেন্টার।
দলগুলো এপ্রিল এবং জুলাই মাসে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ছয়টি দলের অংশগ্রহণের ফলে মার্স রোভার চ্যালেঞ্জ-এ যুক্তরাষ্ট্রের পর বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। হাই স্কুল রোবোটিক দল প্রতিযোগিতায় ভালো করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দল দ্যা পিটুপি সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিযোগিতায় শীর্ষ পুরস্কার লাভ করে। সংবর্ধনার সময় স্টেম শিক্ষার্থীরা ও তাদের শিক্ষকরা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন অভিজ্ঞতার কথা জানান।
চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স জোল রাইফম্যান প্রতিযোগীদের অভ্যর্থনা জানিয়ে বলেন, ‘এখন তরুণদের জন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি দরকার কঠিন সমস্যা মোকাবেলায় জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জন , তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও মূল্যায়ন, এবং বিভিন্ন ধরণের তথ্যকে কাজে লাগানো। এই ধরণের দক্ষতা শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশলবিদ্যা এবং অঙ্ক বা Science, Technology, Engineering, and Math (STEM) পড়ার মাধ্যমে শিখে থাকে। সব শিক্ষার্থীর উচিত ‘স্টেম’ শিক্ষাকে তাদের পেশার স্প্রিংবোর্ড হিসেবে দেখা।’
যুক্তরাষ্ট্রে স্টেম ডিগ্রী প্রাপ্তরা বেশি উপার্জন করে, যারা নন-স্টেম ক্যারিয়ারে কাজ করছে তাদের থেকে বেশি। স্টেম কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে টেকসই উন্নয়ন এবং স্থায়িত্ব বজায় রাখতে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে বাংলাদেশের ৬,৫০০ শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণ করছে।
ইত্তেফাক/সাব্বির