দেশের বাজারে প্রথম স্মার্ট ফ্রিজ ছেড়েছে ওয়ালটন

ফ্রিজ কতটুকু বিদ্যুত খাচ্ছে? বিল কত? ভোলেজ লো না হাই? ফ্রিজ বা এর কম্পেসর চলছে না বন্ধ? এসব প্রশ্নের উত্তর দেবে স্মার্ট রেফ্রিজারেটর। দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো স্মার্ট রেফ্রিজারেটর নিয়ে এলো বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। যাকে বলা হচ্ছে আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংঙ্গস) বেজড স্মার্ট রেফ্রিজারেটর। 
 
স্থানীয় বাজারে এই স্মার্ট ফ্রিজের বাজারজাতকরণ উপলক্ষে ইন্ট্রোডিউসিং বা পরিচিতি অনুষ্ঠান করেছে ওয়ালটন। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মার্ট ফ্রিজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ও বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা, বিপণন বিভাগের প্রধান এমদাদুল হক সরকার, সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম, সিনিয়র ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর আব্দুল মালেক সিকদার প্রমূখ।  
 
ওয়ালটন স্মার্ট রেফ্রিজারেটরে ব্যবহার করা হয়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসার, সিএফসি এবং এইচএফসিমুক্ত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ গ্যাস। নন-ফ্রস্ট হওয়ায় এই ফ্রিজের ভেতরের বডিতে কোনো বরফ জমবে না। আগামীকাল থেকেই পাওয়া যাবে ওয়ালটনের নতুন এই ফ্রিজ। যার দাম ৫৩ হাজার ২০০ টাকা। শুরুতে একটি মডেল বাজারে ছাড়া হয়েছে। শীঘ্রই আরো কয়েকটি মডেলের স্মার্ট ফ্রিজ বাজারে আসছে। 
 
ওয়ালটনের ফ্রিজ গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রকৌশলীরা জানান, ফ্রিজের কন্ট্রোল বোর্ডে আইওটি ডিভাইস হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে ওয়াই-ফাই মডিউল। এর মাধ্যমে বাসায় ব্যবহৃত ওয়াইফাই ইন্টারনেট কানেকশনের আওতায় আসবে এইস্মার্ট ফ্রিজ। গ্রাহককে মোবাইল ফোনে ‘ওয়ালটন স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্সেস’ নামে একটি বিশেষ অ্যাপস ইনস্টল করতে হবে।এতে বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকেই গ্রাহক জানতে পারবেন- তার ফ্রিজে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে ও মোট কত টাকা বিদ্যুৎ বিল উঠছে। জানা যাবে ফ্রিজের পাওয়ার অন না অফ; কম্প্রেসার চালু না বন্ধ। শিগগীরই এতে যুক্ত হচ্ছে আরেকটি অপশন। ফ্রিজের কোনো খাবার কমে গেলে সিগনাল চলে আসবে মোবাইল ফোনে। প্রকৌশলীরা আরো জানান, গ্রাহকের ঘরে ব্যবহৃত ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ বা এসিতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ভোল্টেজ লো, হাই অথাব ওভারলোড হলে গ্রাহকের মুঠোফোনে নোটিফিকেশন চলে যাবে। গ্রাহক তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা নিতে পারবেন। 
 
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জন্য ৪৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সংরক্ষণের নিশ্চয়তায় তৈরি হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড স্বীকৃত এবং আইএসও সনদপ্রাপ্ত ঘটঝউঅঞ-টঞঝ ল্যাব থেকে মান যাচাই করে বাজারজাত করা হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। মান নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে জিরো টলারেন্স নীতি। সর্বোচ্চ গুণগতমানের নিশ্চয়তায় ওয়ালটন ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি দেয়া হচ্ছে। কম্প্রেসারে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টির সুবিধাও দিচ্ছে ওয়ালটন।
 
ইত্তেফাক/ রেজা