প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট টাইগাররা

এতদিন তো বেশ হলো অনুশীলন, আর একদিন পরেই নামতে হবে মাঠের আসল লড়াইয়ে। বিদেশের মাটিতে সেই ‘আসল লড়াই’ সামনে রেখে কেমন প্রস্তুতি হলো বাংলাদেশের। গত ১৭ আগস্ট দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল।
 
২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সামনে রেখে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে। আসল লড়াইয়ের একদিন আগে আজ মঙ্গলবার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস জানালেন দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে। সর্বশেষ ১৫ টেস্ট ইনিংসে মাত্র ১টি ফিফটি করা ইমরুলের জন্য এই সিরিজ দলে জায়গা টিকিয়ে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫১ রানের ইনিংসটি তাকে কিছুটা হলেও এগিয়ে দিয়েছে। দলের প্রস্তুতি নিয়ে বেশ সন্তুষ্টই মনে হলো ইমরুলকে।
 
তিনি বললেন, আমরা যেহেতু এক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসেছি, প্রস্ততি ম্যাচও খেলেছি, সবকিছু মিলিয়ে ভালোই প্রস্তুতি হয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচটি থেকে আশা করি সবার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। প্রস্তুতি তাই বেশ ভালো। 
 
ইমরুল ছাড়াও প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং দাপট দেখিয়েছেন সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হওয়া আরেক ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান।
 
দুই ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এছাড়া সমালোচকদের নিশানায় থাকা ওপেনার সৌম্য সরকার প্রথম ইনিংসে ৬৯ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন। ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোট পাওয়ায় দ্বিতীয় ইনিংসে আর ব্যাটিং করা হয়নি তার। তবে অগ্রজ তামিমের সঙ্গে ইতিমধ্যেই অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন সাতক্ষীরার এই তরুণ।
 
বিরূপ কন্ডিশনে প্রস্তুতি ম্যাচে রান পাওয়াটাকেও বেশ ইতিবাচকভাবে দেখছেন ইমরুল।
 
 
তার কথায়, রান যেখানেই করি না কেন, আত্মবিশ্বাস বাড়ে। বাংলাদেশে রান করি বা এখানে, নিজের কাছে ভালো লাগে। আশা করি ভালো কিছু হবে।
 
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাস মোটেও সুখকর নয়। সেখানে খেলা মোট ৪টি টেস্টের সবকটাতেই ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ৯ বছর পর যে বাংলাদেশ টেস্ট দল দক্ষিণ আফ্রিকায় গেছে সেটা যেন মুদ্রার ওপিঠ। সদ্যই দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ড্র করার সুখস্মৃতি আছে। তার মধ্যে প্রস্তুতিটাও সবার মনে ধরেছে। পচেফস্ট্রুমে হয়তো দারুণ কিছুই অপেক্ষা করছে টাইগারদের জন্য।
 
ইত্তেফাক/ রেজা