ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এখানে সিঅ্যান্ডডি কমিটি মেম্বারদের অনাপত্তি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ও মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট প্রার্থীকে রেখে নিয়োগ বোর্ডের এক সদস্যের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সুপারিশকৃত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র তানভীর আহমেদ নিয়োগ বোর্ডের অন্যতম সদস্য, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড.এ কিউ. এম. মাহবুবের আস্থাভাজন বলে জানা গেছে।
তার অনার্স ও মাস্টার্সে মেধাক্রম যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ। অন্যদিকে ঢাবির ছাত্র আল ইমরান অনার্স ও মাস্টার্স দুটোতেই মেধাক্রমে প্রথম। অথচ আল ইমরানকে বাদ দিয়ে তানভীর আহমেদকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগে দুইটি অস্থায়ী ও একটি স্থায়ী লেকচারার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এই নিয়োগের জন্য দুইবার বোর্ড বসে স্থগিত হয়। তানভীর আহমেদকে নিয়োগ দিতেই বোর্ড স্থগিত হয় বলে সূত্র জানায়।
সর্বশেষ গত ১৪ সেপ্টেম্বর বোর্ড বসে। বোর্ডের সদস্য ছিলেন আর্থ অ্যান্ড এনভাইরোনমেন্ট সাইয়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, প্রো-উপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমাদ, ড.এ কিউ এম মাহবুব প্রমুখ। এখানে তানভীর আহমেদকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। নিয়োগকৃত অন্য দুজন হলেন নাজমুন নাহার সুমাইয়া ও রাইসা সুলতানা।
অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করে বোর্ড সদস্য ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব বলেন, ২০ বছর ধরে আমরা রসায়ন ব্যাকগ্রাউন্ডের ও এনভাইরোনমেন্টাল সাইন্সের লোক খুঁজছি। যার কথা বলা হচ্ছে সে জাপান থেকে পিএচডি করা এবং তার পাঁচ-সাতটি আর্টিকেল আছে। বিভাগের কিছু অযোগ্য শিক্ষক এই সুপারিশে অসন্তুষ্ট বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমি দেখবো।
ইত্তেফাক/নূহু