দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে চরম ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ দল। এ অবস্থায় টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। তবে বোর্ড ইচ্ছা করলে সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও অভিমত দেন তিনি। বুমফন্টেইনে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ২৫৪ রানে হারের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক একথা বলেন।
মুশফিক বলেন, ‘আমাকে সরানো হবে কি না, এই সিদ্ধান্তের ভার বোর্ডের ওপর। তারাই আমাকে এই সম্মান দিয়েছে। দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে। আমি সততার সঙ্গে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তারা যদি সন্তুষ্ট না হয় তাহলে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’
টস জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টেও ফিল্ডিং নেওয়ায় সমালোচনা হয়েছে মুশফিকের। পরে সংবাদ সম্মেলনে এসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোচের প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত দেন তিনি। তাছাড়া কোচদের চাওয়ায় বাউন্ডারিতে ফিল্ডিং করছেন বলেও অধিনায়ক জানান।
নিজের এমন মন্তব্যের পক্ষে যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে মুশফিক বলেন, ‘যা ঘটেছে আমি প্রথম দিনের খেলা শেষে কথা বলতে এসে কেবল তারই বর্ণনা দিয়েছি। যদি কেউ আমার মন্তব্যে খুশি না হয়, তাদের অধিকার আছে আমার বা দলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার।’
বিসিবি সভাপতিও মুশফিকের মন্তব্য নিয়ে সন্তুষ্ট নন। দলের বাজে পারফরমেন্সে ইতোমধ্যেই বোর্ডে তার নেতৃত্বে থাকা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে দলীয় খেলার দায়িত্ব এককভাবে নিজের উপর নিতে চান না তিনি।
তাই সরে যাওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করতেই পাল্টা প্রশ্ন করে মুশফিক বলেন, ‘আমি কেন সরে যাব? এটা তো ব্যক্তিগত কোনো খেলা না, দলীয় খেলা। অবশ্যই অধিনায়ক হিসেবে সব ব্যর্থতায় দায় আমার দিকেই আসবে। আমি সেটা নিচ্ছিও। দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার জন্য অনেক সম্মানের। আমি গর্বিত। এটা হবে বোর্ডের সিদ্ধান্ত। কারণ, তারাই আমাকে এনেছে।’
ইত্তেফাক/কেআই