যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডের ২১ বছর বয়সী ‘জিহাদি জ্যাকের’ বিরুদ্ধে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্য হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। সিরিয়ার কুর্দি অঞ্চলের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
‘জিহাদি জ্যাক’ নামে পরিচিতি পাওয়া জ্যাক লেটস ২০১৪ সালে সিরিয়া ভ্রমন করেন এবং যখন আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকা ত্যাগ করেন, তখন তিনি ওয়াইপিজি’র হাতে ধরা পড়েন। কুর্দি নেতৃত্বাধীন ওয়াইপিজি গ্রুপটি আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। কর্মকর্তারা বলেন, লেটস ২০১৭ সালের মে মাসে ধরা পড়েন। লেটস এর আগে বলেছিলেন, তিনি আইএসের বিরোধিতা করেন।
স্বঘোষিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ডেমোক্র্যাটিক ফেডারেশন অব নর্দান সিরিয়ার (ডিএফএনএস) দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লেটসকে উত্তর সিরিয়ার রোজাভার কামিশলি কারাগারে নেওয়া হয়েছে। এতে আরো জানানো হয়, বিষয়টি এখনো ডিএফএনএসের স্থানীয় পুলিশ আসাউইশের তদন্তাধীন রয়েছে। প্রসঙ্গত, লেটসকে ধরার বিষয়টি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে কুর্দি বাহিনী প্রথমবারের মতো যুদ্ধবন্দি হিসেবে কোনো ব্যক্তিকে আটকের কথা জানালো।
অক্সফোর্ডের চেরওয়েল স্কুলে থাকার সময় লেটস ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। এ-লেভেল থেকে ঝরে পড়ার পর ২০১৪ সালে ১৮ বছর বয়সে তিনি জর্ডান ভ্রমণ করেন। ওই বছরের শরৎকালে তিনি সিরিয়ার আইএস-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ছিলেন। তিনি ইরাকে বিয়ে করেন এবং এখন তার একটি সন্তান রয়েছে। তবে সিরিয়ায় গিয়ে আইএসের সাথে লেটসের যুদ্ধের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন তার পিতা-মাতা। তাদের দাবি, কুর্দি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন।বিবিসি
ইত্তেফাক/সাব্বির