ভারতের দার্জিলিংয়ে বছরে আট মিলিয়ন কিলোগ্রাম চা উৎপাদন হয়। যার দুই তৃতীয়াংশ রপ্তানি হয় বিশ্বের নানা দেশে। দার্জিলিং চায়ের ক্রেতাদের বড় অংশ রয়েছে ইউরোপে। কিন্তু এ বছরের জুন মাসে স্বাধীন গোর্খা ভূমির দাবিতে দার্জিলিংয়ে আন্দোলন শুরু করে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। একশো দিনের কিছুটা বেশি সময় ধরে চলা সেই অবরোধ সেপ্টেম্বরের শেষে প্রত্যাহার করা হয়। আর তাতে সেখানকার চা বাগানগুলোর কার্যক্রম পুরোপুরি থমকে যায়।
IMG0
দার্জিলিং এ চা পাতা তোলার মুল মৌসুম হলো মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। অবরোধের কারণে এর অর্ধেক সময়টাই সেখানে চা পাতা তোলা ও অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। তাতে দার্জিলিং এর চা ইন্ডাস্ট্রির ক্ষতি হয়েছে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড। মন্টেভিয়েট চা বাগানের ম্যানেজার জায়গাহান ইয়োগী বলছেন দার্জিলিং এর চা শিল্প খুব খারাপ সময় পার করছে।
IMG1
তিনি জানান, ‘দার্জিলিং চা শিল্পের জন্য এটি একটি বড় বিপদ। এ বছর আমরা মোটে ৩০ শতাংশ চা পাতা তুলতে পেরেছি। বাকি পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। এই শিল্পের এখন সরকারি সহায়তা দরকার। তা না হলে এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে অদূর ভবিষ্যতে চরম মুশকিলে পড়তে হতে পারে।’
IMG2
দার্জিলিং এ বাগানগুলো তাদের নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করলেও চা উৎপাদন পুরোপুরি শুরু হতে আরো কয়েকমাস সময় লেগে যাবে। আগামী বছরের মার্চের আগে পুরোদমে সরবরাহ শুরু হবে না। তাই দার্জিলিং চা যাদের পছন্দ তাদের হয়ত সামনে বেশি পয়সা খরচ করতে হবে। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু