থাইল্যান্ডের প্রয়াত রাজা ভূমিবলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অংশ নিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়া আরও ৪২টি দেশের রাজা, রাণী, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ব্যাংককে অবস্থানকালে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় আতিথ্য দেয়া হয়। এবং তাকে বিদায় জানান থাই বাণিজ্য মন্ত্রী আপিরাদি তন্ত্রপর্নো। শেষকৃত্যানুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা তাসনিম মুনা। নতুন থাই রাজা মহা ভাজিরা লংকর্নকে তার বাবা রাজা ভূমিবলের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সহানুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ভূমিবল বাংলাদেশে একজন আদর্শ রাজা হিসেবে পরিচিত যিনি তার দেশের অর্থনীতি স্বনির্ভর করে গড়ে তুলেছেন।
থাইল্যান্ডের নতুন রাজা জানিয়েছেন, তার প্রয়াত বাবা রাজা ভূমিবল বাংলাদেশের বন্যা এবং পানি প্রবাহ থেকে অনেককিছু জেনে তিনি তা নিজের দেশের কাজে লাগিয়েছিলেন। গত অক্টোবরে ভূমিবল ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘসময় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে মৃত্যুবরণ করেন। ৭০ বছর রাজত্ব করা ভূমিবলের মৃত্যুতে ১ বছরের শোক পালন করে থাইল্যান্ড। গত ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবর তার দেহভস্ম করে শেষকৃত্য পালন করা হয়।