ফায়ারম্যান সোহেল রানাকে গার্ড অব অনার দিয়ে কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সমাহিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে কেরুয়ালা গ্রামে নিজ বাড়ি সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ফায়ারম্যান সোহেল রানা। তার মরদেহ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটায় একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সযোগে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার কেরুয়ালা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।
এরপর সেখানে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
ঢাকা থেকে মৃতদেহের সঙ্গে আসেন ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক দুলাল মিয়া ও কিশোরগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান। সেখানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে লাশবাহী কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক নগদ ৫০ হাজার টাকা সোহেল রানার পিতা নূরুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বিকাল পৌণে ছয়টার দিকে সোহেল রানার নামাজে জানাজা চৌগঙ্গা পুরাতন বাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুনঃ স্ত্রীকে গরম পানিতে ঝলসানোর ঘটনায় মানিকগঞ্জে পাষণ্ড স্বামী গ্রেফতার
জানাজায় জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো: মাশরুকুর রহমান খালেদ, ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক দুলাল মিয়া, ইটনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসানসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/নূহু