দেলদুয়ারের দেউলী ইউনিয়নের কড়াইল গ্রামের রেহেনা বেওয়া (৬৫) পলিথিনের ছাউনি থেকে এখন দোচালা টিনের ঘরে বসবাস করছেন। সম্প্রতি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন অনেকেই। স্থানীয় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোশারফ হোসেন বাপ্পি দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ঘর তৈরি করতে মূল ভূমিকা পালন করেন।
ঘরটি তৈরি করতে দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদিরা আখতার ৩০ হাজার, জেলা পরিষদের সদস্য হামিম কায়েস বিপ্লব টয়লেট নির্মাণের জন ১৫ হাজার, আটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম মল্লিক তিন বান্ডিল ঢেউটিন ও দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সাচ্চু ১০ হাজার টাকা দেন। ঘরের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোশারফ হোসেন বাপ্পি ও দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সাচ্চুকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদিরা আখতার গত ২০ নভেম্বর ঘরটি পরিদর্শন করতে যান এবং বিধবা রেহেনা বেওয়াকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।