শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও শ্রম আদালত স্থাপনের দাবি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশের প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুরক্ষায় দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত সম্মেলন থেকে চা শিল্পের বিকাশ ও চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে মালিক-শ্রমিকদের নিয়মিত সংলাপ এবং শ্রীমঙ্গলে দ্রুত শ্রম আদালত স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। গত শুক্রবার শ্রীমঙ্গলের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে সমাপনী বক্তব্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিপিআরসির নির্বাহী পরিচালক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘চা শ্রমিকদের জন্য মালিকপক্ষ অনেক কিছুই করছেন বলে বলা হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো দৃশ্যমান নয়। শ্রমিকদেরও অনেক দাবি রয়েছে যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘চা জনগোষ্ঠীসহ আমাদের দেশে পিছিয়ে পড়া আরও বেশ কয়েকটি জনগোষ্ঠী আছেন যাদের বাদ দিয়ে বা পেছনে রেখে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারব না। তাই সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি এসব জনগোষ্ঠী নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে।’

সম্মেলনে বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী মুজাফফর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে মূল ধারায় নিয়ে আসতে হবে। এজন্য আমরা কাজ করছি। তাদের মূল মজুরি ১০২ টাকা হলেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে তা দাঁড়ায় প্রতিদিন ৩৫২ টাকায়। আর যারা কারখানায় কাজ করেন তাদের মজুরি হয় ৩২০ টাকা।’