ভারতে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ করে হত্যার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর উপশহর নয়দা নগরীতে ২৫ বছর বয়সী এক গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার দায়ে এক ব্যবসায়ী ও তার অপর এক গৃহকর্মীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে একটি বিশেষ আদালত। ২০০৬ সালে নির্মম হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। শুক্রবার ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগ্যাশন (সিবিআই)’র আদালত এ রায় প্রদান করে। খবর সিনহুয়া’র।
 
ব্যবসায়ী মনিন্দ্র সিংহ পানধার ও তার পুরুষ গৃহকর্মী সুরিন্দ্র কোলির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার একদিন পর এ রায় দেয়া হল। নয়দার নিথারি গ্রামে ওই ব্যবসায়ীর নিজ বাড়িতে এ অপরাধ সংঘটিত হয়। কোলির বিরুদ্ধে এই অপরাধ ছাড়াও আগে আরো আটটি অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পানধানের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় অভিযোগ করা হয়। এর দুটি প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদানকালে বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক পি.কে. তিওয়ারি বলেন, কোলি ও পানধার দু’জনেই ২০০৬ সালে গৃহকর্মী অঞ্জলিকে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত। তারা কঠোর শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।
 
আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘কোলি ওই গৃহকর্মীকে টেনে হিঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে আসে, তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করে এবং তারপর মেয়েটির মাংস খায়। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া ছাড়া আইনের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। পানধারও একই অপরাধে জড়িত। তাদের দুজনকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কর্যকর করা হবে।’ অঞ্জলি নয়দায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। ২০০৬ সালের অক্টোবরে তিনি নিখোঁজ হয় বলে জানানো হয়। ডিসেম্বর মাসে কোলিকে গ্রেফতার করার পর তার হত্যাকাণ্ডটির ব্যাপারে পুলিশ জানতে পারে। ওই বছরই পুলিশ মানধারের বাড়ির কাছ থেকে ১৬ জনের খুলি ও হাড় উদ্ধার করে। এদের অধিকাংশই শিশু। সিনহুয়া।
 
ইত্তেফাক/সেতু