তুরস্কের সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর নোমান কুরতুলমুজের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সোমবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ডক্টর নোমান কুরতুলমুজ ইতোপূর্বে বাংলাদেশ-তুরস্ক যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) চেয়ারের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। 
 
উল্লেখ্য, তুরস্কের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত হচ্ছে পর্যটন। ডক্টর নোমান কুরতুলমুজ প্রায় ৮ মাস আগে গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় ভাতৃপ্রীতম দু’দেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেন। এ বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
 
আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং অর্জনের প্রবহমান চিত্র তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন-বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন দীর্ঘদিনের এবং এ সম্পর্ক দিনদিন আরও শক্তিশালী হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিমের বাংলাদেশ সফরসহ সাম্প্রতিক সময়ে দু’দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন সফরের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০১৮ সালের এপ্রিলে দুইদেশের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। 
 
আলোচনাকালে তুর্কী সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী ঢাকায় ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ইসলামী সংস্থার সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেন। আগামী ২৬-২৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ ভ্রমণ এবং পর্যটন মেলাতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত তুরস্কের মন্ত্রীকে অবহিত করেন। 
IMG0
এছাড়াও, আঙ্কারার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে শহীদ মিনার স্থাপনের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী সংস্কৃতি এবং পর্যটন বিকাশে বাংলাদেশের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং তিনি একমত হন যে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন জোরালো করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। 
 
ইত্তেফাক/এমআই