রুটের নৈপুণ্যে আবারো অজিদের হারাল ইংল্যান্ড

 
জো রুটের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বিফলে গেল অ্যারন ফ্রিঞ্চের আরেকটি সেঞ্চুরি। গতকাল শুক্রবার  সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ফ্রিঞ্চের টানা সেঞ্চুরিও অস্ট্রেলিয়াকে জেতাতে পারেনি। বরং রুটের দুই উইকেট ও অপরাজিত ৪২ রান সফরকারীদের চার উইকেটের জয়ে বড় অবদান রাখে।
 
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার ২৭০ রানের তাড়ায় ৩৪ বল হাতে রেখেই জেতে ইংল্যান্ড। এ জয়ে তারা পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে থাকলো ২-০ ব্যবধানে। তৃতীয় ওয়ানডেটি হবে সিডনিতে, আগামীকাল রবিবার।
 
ইংল্যান্ডের জয়ে সব ব্যাটসম্যানই রান তাড়ায় যোগ দেন। এর মধ্যে ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও অ্যালেক্স হেলস দ্বিতীয় উইকেটে ১১৭ রান তুলে জয়টি সহজ করে দেন। বেয়ারস্টো ৬০ ও হেলস ৫৭ রান করে আউট হন। ১০ রানের ব্যবধানে দুজনে আউট হয়ে গেলেও জস বাটলার (৪২), অধিনায়ক ইয়ন মর্গান (২১) ও ক্রিস ওকস (অপরাজিত ৩৯) প্রত্যেকেই অবদান রাখেন। অপরদিকে রুটস অপরাজিত ৪৬ রানের প্রান্ত আগলানো ইনিংস খেলেন জয় অবধি।
 
সঙ্গত কারণেই মর্গান বলতে পারেন, ‘আমরা জয়ের জন্য যথেষ্ট করেছি। তারপরও এটা আমাদের সেরা ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখে অনেক পেছনে। আশা করি সেটা আসবে সিডনিতে।’
 
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে স্টার্ক চারটি ও রিচার্ডসন দুই উইকেট নিলেও তা কাজে আসেনি। যেমনটি বিফলে যায় ফ্রিঞ্চের ১০৬ রানের সেঞ্চুরিটি। অথচ টস জয়ী অস্ট্রেলিয়াকে ভালোভাবেই শুরু করিয়েছিলেন ১১৪ বলে রানগুলো তোলা ফ্রিঞ্চ। ওয়ার্নার করেছিলেন ৩৫ রান। দুজনে ইংলিশ পেসারদের উপর আধিপত্য দেখালে স্পিনারদের আক্রমণে এনে সাফল্য দেখান সফরকারী অধিনায়ক।
 
এরপরই খেলা চলে যায় ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণে। বিষয়টি স্বীকার করেন অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথও। এদিন মাত্র ১৮ রান করা স্মিথ জানান তারা ভালোভাবেই পরাস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমরা ওয়ানডে ক্রিকেটে ভালো খেলছি না। তিন উইকেটে ২০৯ রান তুলে আমরা ভালো অবস্থায় ছিলাম। তখনো ১১ ওভার বাকি ছিল এবং হাতে থাকা সাত উইকেট দিয়ে আমরা কেবল ৬০ রান তুলি। ভালো মানের ইংলিশ ব্যাটিং লাইন আপের বিরুদ্ধে এটা যথেষ্ট ছিল না।’
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ