বাংলাদেশের ৪তুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করা হলোনা মুমিনুলের। আশা জাগিয়েও তিনি থেমে গেলেন ১৭৬ রানে। ২১৪ বলে ১৬চার ও ১ ছক্কায় হেরাথের বলে কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন সাজ ঘরে।
এর আগে ওয়ানডে স্টাইলে খেলে মাত্র ৯৬ বলে সেঞ্চুরি করেন মুমিনুল হক। এটি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। মুমিনুলের পর মুশফিকও সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। কিন্তু তিনি নার্ভাস নাইনটির শিকার হন। মুশফিক ১৯২ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৯২ রান করে লাকমালের বলে আউট হন।
এর আগে ইমরুলের উইকেট হারিয়ে দুই উইকেটে ১২০ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের বিদায়ের পর দ্বিতীয় সেশনে দলের হাল ধরেন মুমিনুল ও মুশিফক।
দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে এ দুজন যোগ করেন ১৩০ রান। তৃতীয় সেশনের ৮৩.৫ ওভারে সুরাঙ্গা লাকমালের বলে আউট হন মুশফিক। এর পরের বলেই লাকমালের বলে বোল্ড হন লিটন দাস। পরে মুমিনুলের সঙ্গে প্রথম দিনের বাকি সময় পার করেন মাহমুদুল্লাহ।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ