শিশু আইনের অস্পষ্টতা দূরীকরণে পদক্ষেপ জানাতে নির্দেশ

২০১৩ সালে প্রণীত শিশু আইনের অস্পষ্টতা দূরীকরণে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে- তা আগামী রবিবারের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমম্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেয়। আদেশে সমাজকল্যাণ সচিবকে বিষয়টি লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে বলা হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী এটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ।
 
সহকারী এটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। এর আগে শিশু আইন নিয়ে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন না করায় সমাজকল্যাণ সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং সচিবকে তলবও করেছিলো আদালত।
 
আদালতের আদেশ অনুযায়ী ব্যাখ্যা না দেয়ায় আইন, লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং এবং সমাজকল্যাণ সচিবের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না- তা জানতে চেয়ে ২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর রুল জারি করে হাইকোর্ট।
 
জানা যায়, ঢাকা, কক্সবাজার ও রংপুরে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক চারটি মামলার আসামিরা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানায়। এসব মামলার সব আসামি প্রাপ্তবয়স্ক। শিশু আদালত প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের জামিনের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করায় হাইকোর্ট রুল জারি করে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকদের এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে চারটি আদালতের বিচারকরা নিজ নিজ ব্যাখ্যা লিখিতভাবে আদালতে দাখিল করেন। বাসস।
 
ইত্তেফাক/এমআই