ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ

লেখক, শিক্ষাবিদ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে যৌথভাবে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন মুক্তমনা ও প্রগতিশীল সংগঠন। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে ধর্মান্ধ শক্তিকে বাংলার মাটিকে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে উৎখাত করার সংকল্প ব্যক্ত করা হয়। 
 
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকার আহ্বায়ক মিথুন আহমেদের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহ-সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, সাংবাদিক নিনি ওয়াহিদ, মুজাহিদ আনসারী, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নেতা শীতাংশু গুহ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল বারী, মুক্তিযোদ্ধা ড. এম বাতেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সভাপতি ফাহিম রেজা নূর, গণজারণ মঞ্চের প্রতিনিধি গোপাল স্যান্যাল, সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বায়ক শুভ রায় প্রমুখ। 
 
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা সোলায়মান আলী, সেক্টর কামান্ডারস ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি রাশেদ আহমেদ, জাসদ নেতা নূরে আলম জিকু, নজরুল ইসলাম, শরাফ সরকার, সুশীল সাহা, আলি আহসান কিবরিয়া অনু, স্বীকৃতি বড়ুয়া, গোপন সাহা প্রমুখ।
 
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এই নগ্ন হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে এই নগ্ন হামলার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি এখন ক্ষমতায়, তারপরও প্রগতিশীলদের ওপর একের পর এক হামলা চলছে। 
 
তারা বলেন, এই ধর্মান্ধ শক্তিকে বাংলার মাটিকে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে উৎখাত করতে হবে। তা না হলে এভাবে হামলা চলতেই থাকবে। 
 
কোনো কোনো বক্তা বলেন, পুলিশি উপস্থিতিতে কীভাবে এই হামলা হলো? এর দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
 
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, একাত্তরের রাজাকারদের শেখ হাসিনার সরকারই বিচার করেছে। সুতরাং আমাদের শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের রুখতে আমাদের ঐব্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
 
ইত্তেফাক/কেকে