ফেনীর ফুলগাজীর জি এম হাটে বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপর হামলায় অভিযুক্ত এমরান হোসেন সাইফুল (২৮) নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোররাতে জি.এম.হাট ব্রিকস্ ফিল্ডের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় সাইফুলের সহযোগী কাজী এমদাদুল হক সোহেল (১৯), মো. ইউনুস (২০) ও গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় ৯ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশ একটি এলজি, দুটি কার্তুজ, ছয়টি ছোড়া ও চারটি রামদা উদ্ধার করেন।
ফুলগাজী থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, শুক্রবার বিকেলে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসী সাইফুল ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য ফুলগাজী থানা পুলিশ শনিবার ভোররাতে জি.এম.হাট ব্রিকস্ ফিল্ড এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে সাইফুল, সোহেল ও ইউনুস গুলিবিদ্ধ হন। তাদের ফেনী ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সাইফুল মারা যান।
নিহত সাইফুল ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠাননগর ইউনিয়নের কাচারী বাজার এলাকার পাঠাননগর গ্রামের মো. কাজী হানিফের ছেলে। তিনি স্থানীয় যু্বলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল বলে জানা গেছে। তার লাশ ফেনী ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই মোশারফ হোসেন, এসআই রাশেদুল কবির, এসআই আইয়ুব খান, এএসআই শফিকুর রহমান, কনষ্টেবল প্রদীপ কুমার চাকমা, ফারুক মিয়া, আবুল কাশেম, চন্দ্রিকা ত্রিপুরা। তাদের ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা নিচ্ছেন।
ফুলগাজী থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, জি.এম.হাট ব্রিকস্ ফিল্ডে চাঁদা দাবি করে আসছিল ছাগলনাইয়ার পাঠাননগর কাছারি বাজার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাইফুল ও সোহেলসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী। শুক্রবার বিকেলে তা তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালালে পুলিশের এসআই সহ দুইজন আহত হন। তাদের আটক করতে অভিযান চালালে পুলিশের ওপর তারা হামলা চালায় এসময় সাইফুল, তার সহযোগী কাজী এমদাদুল হক সোহেল ও মোঃ ইউনুস গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশের ৯ সদস্য আহত হন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএম