ভোলায় সীমানা প্রাচীর ভাঙাকে কেন্দ্র করে গুলি, আহত ৫

ভোলা শহরের উকিল পাড়ায় সোমবার সকালে পৌরসভার ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণের জন্য বাড়ির দেয়াল ভাঙাকে কেন্দ্র করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আতঙ্কে পালাতে গিয়ে ৫ নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 
ভোলা পৌরসভার ঠিকাদার ইশরাত হোসেন রিপন সাংবাদিকদের জানান, তারা ভোলা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের কাজ করছিলেন। ওই কাজ করতে গিয়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমানের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙার প্রয়োজন হয়। এ ব্যাপারে পৌরসভা থেকে তাকে নোটিশ করা হয়। কিন্তু অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান তার সীমানা প্রাচীর না ভাঙায় ঠিকাদারের শ্রমিকরা ওই প্রাচীর ভাংতে গেলে শ্রমিকদের সাথে মাকসুদুর রহমানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মাকসুদুর রহমান শ্রমিকদের ওপর গুলি বর্ষণ করেন। এ সময় আতঙ্কে  ছুটাছুটি করতে গিয়ে ৫ শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আমির হোসেন (৫৫), ইউসুফ (২২), মো. রাসেলকে (২৭) ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া মুছা ও কালামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
 
এব্যাপারে ভোলা পৌরমেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ভোলা পৌরসভার ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণের জন্য অ্যাডভোকেট মাকসুদুুর রহমানের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙা জরুরি হয়ে পড়ে। তার ওয়ালটি মেইন সড়কের মুখে এবং ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক দিন ধরে তাকে ওই সীমানা প্রাচীর ভাঙার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি তা না করায় বাধ্য হয়ে সোমবার সকালে ঠিকাদারের শ্রমিকরা ওই সীমানা প্রাচীর ভাঙতে যায়। এ সময় তিনি কাজে বাধা দেন এবং গুলি বর্ষণ করেন।
 
অপরদিকে অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তাকে না জানিয়ে অনুমতি না নিয়ে তার সীমানা প্রাচীর ভাঙতে শুরু করলে তিনি বাধা দেন। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা তার উপর চড়াও হলে তিনি আত্মরক্ষার জন্য তার লাইসেন্সকৃত বন্দুক থেকে ফাঁকা গুলি করেন। 
তবে ভোলা মডেল থানার ওসি ছগির আলী জানান, তিনি গুলি বর্ষনের কোন ঘটনা জানেন না। এ ছাড়া কেউ থানায় লিখিত কোন অভিযোগ দেয়নি। 
 
ইত্তেফাক/এমআই