রংপুর রেঞ্জের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গোলাম ফারুক বলেছেন, হোশি কোনিও ও খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলার বিশেষ পিপি রথিশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা নিখোঁজ হয়েছেন না অপহরণ করা হয়েছে না তিনি সেচ্ছায় আত্মগোপন করছেন আমরা সব বিষয় মাথায় নিয়ে কাজ করছি। আমরা সন্দেহভাজন দুই তিনজনকে চিহ্নিত করেছি। আমরা এর রহস্য উদ্ধারের চেষ্টা করছি। পুলিশ পিবিআই র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল সদস্য কাজ করছে।
রবিবার দুপুরে তিনি নগরীর তাজহাট বাবু পাড়ায় বাবুসোনার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
ডিআইজি বলেন, তিনি শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বেড়িয়েছেন। রাতে বাড়ি ফিরে না আসায় আমরা বিষয়টি জানতে পারি। আমরা সন্দেহভাজন দুই তিনজনকে চিহ্নিত করেছি। আপনাদের এখন কিছু বলা যাবে না। তাদের ব্যাপারে আরো তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করছি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, জঙ্গিদের কাজের ধরন ভিন্ন তাদের কাজ হচ্ছে হিট করা। এ ঘটনায় জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তাও আমরা খাতিয়ে দেখছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে রংপুর ডিআইজি বলেন, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যে সকল সিসি টিভি রয়েছে সেগুলোর ফুটেজ আমরা সংগ্রহ করেছি। সেগুলোও খাতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বলেন, উনি যখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তখন ওনার বাড়ির সামনে একটি মোটরসাইকেল ছিল। তিনি সেই মোটরসাইকেলটিতে উঠে গেছেন কিনা সেটা কেউ দেখে নাই। আমরা সে বিষয়টিও মাথায় রেখেছি। সেটাও খাতিয়ে দেখছি।
রংপুরের বিশেষ পিপি রথিশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা এবিয়ষটি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করিনি। এসময় তার সাথে ছিলেন রংপুর ডিআইজি অফিস ও জেলা পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।
ইত্তেফাক/আরকেজি