আজাদকে হত্যা করে ড্রামে ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়

ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল আজাদকে নথুল্লাবাদ এলাকা থেকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণের পর চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে রুপাতলী এলাকায় একটি বাসায় ড্রামের ভেতরে লাশ ঢুকিয়ে মাহেদ্রযোগে বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর নামক এলাকায় ড্রামভর্তি লাশটি নদীতে ফেলে দেয়া হয়।
 
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরিকল্পিত এ হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান রনি। গতকাল শুক্রবার সকালে খুনির বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন বিমানবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুল। পুলিশ মেহেদী হাসান রনিকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করেছে। মেহেদী হাসান রনি বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর গ্রামের মশিউর রহমানের পুত্র।
 
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আব্দুল্লাহ আল আজাদ রহস্যজনকভাবে নথুল্লাবাদ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ওই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজের স্ত্রী। পরবর্তীতে সাধারণ ডায়েরির তদন্তে প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবসায়ীর ব্যবহূত মোবাইল ফোন ও সিম খুনি মেহেদী হাসান রনির বসতঘরের মাইক্রো ওভেনের মধ্যথেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর রনিকে গ্রেফতারের পর পুরো ঘটনা প্রকাশ হয়ে যায়।
 
রনির বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, অপহরণের পরে তার স্ত্রীর কাছ থেকে রনি বিকাশের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই লাশটি ২১ ফেব্রুয়ারি বাবুগঞ্জের বাহেরচর নদীরপাড় থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। অর্ধগলিত লাশটির কোন পরিচয় না পেয়ে সেটি বেওয়ারিশ হিসেবে মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয়েছিল।
 
ইত্তেফাক/কেকে