নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেছেন, আগামী ১৫ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশন যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা ইতিবাচক, অত্যন্ত ভাল সুষ্ঠু, সুন্দর নিরপেক্ষ। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এ জন্য যা যা করার দরকার তাই করা হবে। নির্বাচন কমিশন কিছু ক্ষেত্রে ইভিএম ব্যবহার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি কিছু কিছু কেন্দ্রে সিসি টিভি ক্যামরা থাকবে। যাতে নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে নির্বাচনের তৎপরাগুলো আমরা দেখতে পারি। ইভিএম কতগুলো কেন্দ্রে করা হবে এখনো সে সিদ্ধান্ত হয় নি। বিষয়টি পরিবর্তীকালে নির্বাচন কমিশনার ঠিক করবেন।
শনিবার দুপুরে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিস কার্যালয় পরিদর্শনে এসে নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. হেলালুদ্দীন আহমেদ এসব কথা বলেন। এসময় গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডল, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মো. তারিফুজ্জামান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আসলামসহ সহকারী রিটার্নিং অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, যে সমস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা শোভাযাত্রা করছে এবং নির্বাচন আচরণ বিধি লংঘন করছে তাদেরকে আমরা সর্তক করে দিব। আমাদের ১৫জন ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে আছে তাঁরা যদি কারো বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণ বিধি লংঘন করার সংবাদ পায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ অন্যান্য আইনয়ানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, আমরা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র বলি না, এখন আমরা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বলে থাকি। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেগুলো তালিকা এখনো হয়নি। গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের কাছে একটা তালিকা প্রণয়ন করবেন। নির্বাচনের আগেই আমরা এর তালিকা করে ফেলবো। গুরুত্বপূর্ণ তালিকাগুলোতে আমাদের অধিক পরিমাণ আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
আইনশৃংখলা বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে পুলিশ সুপারসহ আমাদের আইজিপি মহোদয়কে অনুরোধ করেছি, যাতে কোন ধরনের অপতৎপরতা কেউ চালাতে না পরে। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র, দাগি সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার অনুরোধ জানিয়ে পত্র দিয়েছি। শিগগিরই আমরা ঢাকায় আইন শৃংখলার একটি সভা করবো। এর পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময় প্রতি সপ্তাহে গাজীপুরে নির্বাচনী সভা থাকবে। আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনী এবং ম্যাজিস্ট্রেট যারা থাকবে তাদের সাথে সবসময় যোগযোগ থাকবে। তাছাড়া নির্বাচনে স্বাভাবিক ভাবে আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনী মোতায়েন থাকবে, বিজিবি থাকবে, তবে দেশরক্ষা বাহিনী হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা এখনো নেই। লোকাল গর্ভমেন্ট ইলেকশন গুলোতে স্বাভাবিক ভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন হয় না।
ইত্তেফাক/এমআই