গৌরনদীতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫

গৌরনদীতে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে সোমবার সকালে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ এবং পুলিশের লাঠিচার্জে ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
 
খবর পেয়ে গৌরনদী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। গুরুতর আহত ছাত্রলীগ কর্মী সাব্বির ভূইয়াকে (এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
 
পুলিশ জানায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সদস্য হাসিব হোসেনের সাথে একই কলেজের ক্রীড়া সম্পাদক আরিফ মিয়া গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েক বার হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
 
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আরিফ মিয়ার সমর্থক সাব্বির স্কুল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কলেজছাত্র সংসদের সাবেক সদস্য হাসিবের সমর্থক ছাত্রলীগ কর্মী দশম শ্রেণির ছাত্র ইমন সরদারকে চড়থাপ্পর মারে। তাৎক্ষণিক হাসিবের সমর্র্থকরা পাল্টা হামলা চালিয়ে সাব্বিরকে পিটিয়ে আহত করে।
 
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ লাঠিসোটা নিয়ে বেলা ১১টার দিকে স্কুল ক্যাম্পাসে ও স্কুল সংলগ্ন সরকারি গৌরনদী কলেজ মসজিদ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে হামলা-পাল্টা হামলা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
 
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। হামলা ও সংঘর্ষে এবং পুলিশের লাঠিচার্জে কলেজ ছাত্রলীগের নেতা আরিফ মিয়া, সাব্বির সেরনিয়াবাত, হৃদয় সরদার, কাজী তুষার, নাঈম খলিফা, টিটু বেপারী, স্কুলছাত্র সাইফুল, আনান, রবিউলসহ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
 
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মুনিরুল ইসলাম মুনির জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ টহল দিচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে।
 
কলেজ ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক আরিফ মিয়া অভিযোগ করেন, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিপক্ষের সাথে হামলা ও সংঘর্ষে অংশ নিয়ে স্কুুল ছাত্রলীগের কর্মীদের মারধর করেছে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি