ব্যাট হাতে সেঞ্চুরির পসরা সাজিয়ে বসেছেন বাংলাদেশের সাবেক খেলোয়াড় ও প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোনের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তুষার ইমরান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একের পর এক সেঞ্চুরি করেই চলেছেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চতুর্থ রাউন্ডে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি করলেন তুষার। তবে তুষারের দুই সেঞ্চুরি পাওয়া চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচটি ড্র হয়েছে।
প্রথম ইনিংসে ২২১ বলে ১৩০ রান করেছিলেন তুষার। তার নৈপুণ্যে ৪০৩ রানের সংগ্রহ পায় প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন। এরপর ৩০০ রানে গুটিয়ে যায় ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। ম্যাচের তৃতীয় দিন আবারো ব্যাট করার সুযোগ পায় প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন। দিন শেষে তারা করতে পারে ৩ উইকেটে ১৪২ রান। এসময় তুষার ৪৬ ও সৌম্য সরকার ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
চতুর্থ ও শেষ দিনে সৌম্য ৩৫ রানে থামলেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৮তম সেঞ্চুরি তুলে নেন তুষার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০ হাজার রান করা তুষার শেষ পর্যন্ত ১০৩ রানে আহত অবসর নেন। ১৪৫ বলের ইনিংসে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তুষার। এছাড়া মোহাম্মদ মিথুনের ৬৬ রানের কল্যাণে ৭ উইকেটে ৩১১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন। ফলে ম্যাচ জয়ের জন্য ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনকে ৪১৫ রানের বড় টার্গেট দেয় প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন।
জয়ের জন্য ৪১৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে দলীয় ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। ৯ রান করে ফিরেন ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন। এরপর প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন বোলারদের বিপক্ষে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ফুটিয়েছেন লিটন দাস ও আফিফ হোসেন।
দ্বিতীয় উইকেটে লিটন-আফিফের অবিচ্ছিন্ন ২০৫ রানে ৪৫ ওভারে ১ উইকেটে ২২৪ রান তুলে ম্যাচ ড্র করে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। দিন শেষে সেঞ্চুরি করেছেন লিটন ও আফিফ। ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১২৯ বলে লিটন অপরাজিত ১১৩ ও আফিফ ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৩১ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন।
দুই ইনিংসে যথাক্রমে ১৩০ ও ১০৩ রান করার সুবাদে ম্যাচ সেরা হয়েছেন প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোনের তুষার।
ইত্তেফাক/কেআই