কাউখালীর একটি টার্কি মুরগির খামার বেকার তরুণ ও যুবকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কম খরচে লাভজনক ওই খামার দেখে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। প্রতিদিন খামার দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় করছে অনেকে।
ব্যতিক্রমী এই খামারের উদ্যোক্তা কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটন। সামাজিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কাউখালীর মুক্তারকাঠী গ্রামে তিনি গড়ে তুলেছেন টার্কি মুরগি, গরু ও হাঁসের খামার। শুরুটা শখের বশে হলেও তিনি এখন পূর্ণ মনোযোগে ডুবে গেছেন খামারে।
মিলটন গড়ে তুলেছেন প্রথম টার্কি খামার। প্রথম বছরেই এ খামার থেকে এসেছে সফলতা। লাভের মুখ দেখেছেন তিনি। এখন বাণিজ্যিকভাবে টার্কির খামার করার পরিকল্পনা করছেন ।
মিলটন বলেন, প্রথমে তিনি বিভিন্ন খামারে গিয়ে টার্কি মুরগি সম্পর্কে জানেন। পরে কৌতুহলী হয়ে ঢাকা থেকে টার্কি মুরগি কিনে এনে মুক্তারকাঠীতে ছয় একর জমিতে প্রথমে তৈরি করেন খামার। সাত মাস পর টার্কি মুরগি ডিম দেয়া শুরু করে। তার খামারে ১২০টি বড় এবং ৮৫টির মতো বাচ্চা টার্কি রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫টি ডিম পাড়ে।
তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারেন এর মাংসের সুখ্যাতি বিশ্বজুড়ে। টার্কি বড় আকারের গৃহপালিত পাখি। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে ওঠার ছয় মাসের মধ্যে টার্কি ডিম দেয়। ছয় মাসের মেয়ে টার্কির ওজন হয় পাঁচ থেকে ছয় কেজি। আর পুরুষগুলো প্রায় আট কেজি।
ইত্তেফাক/আরকেজি