আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার (অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ) সুযোগ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তার মতে, এ সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হলে দেশের বাইরে টাকা পাচার হয়ে যাবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনের সভাকক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান এই অভিমত ব্যক্ত করেন। সভায় আবাসনখাতের সংগঠন রিহ্যাব, ওষুধ শিল্প সমিতি, সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন, অটো রি-রোলিং মিলস এসোসিয়েশন, ইট-পাথর ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন লিংকেজ শিল্পের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ সংগঠনের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
আলোচনার শুরুতে রিহ্যাবের প্রথম সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বিনা প্রশ্নে পাঁচ বছরের জন্য অপ্রদর্শিত অর্থ আবাসন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, বর্তমানে এ সুযোগ থাকলেও দুদকসহ অন্য সংস্থা প্রশ্ন করতে পারে। এ ভয়ে আবাসন খাতে কাক্সিক্ষত বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিদেশে সেকেন্ড হোমের সুযোগ নিচ্ছে। এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আয়কর অধ্যাদেশের ১৯বি ধারা পুনর্বহাল করে ইনডেমিনিটি দিতে হবে।
এর জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, অপ্রদর্শিত আয় বর্তমানে জরিমানা দিয়ে বৈধ করার সুযোগ আছে। এটা বন্ধ করে দেব না। এটা বন্ধ করে দিলে টাকা বাইরে চলে যাবে। এছাড়া দেশের বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হবে। এসব বিবেচনায় আগামী বাজেটেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, আবাসন খাতের সমস্যা সমাধানে একটি ওয়ার্কিং কমিটি কাজ করছে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাসস।
ইত্তেফাক/এমআই