মিরপুরে শিক্ষা অফিসারের বুদ্ধিমত্তায় তিন ঘণ্টায় পরিবর্তন

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলার মাজিহাট নতুনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকষ্মিক পরিদর্শনে যান নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার  সিরাজুল ইসলাম।
এসময় বিদ্যালয়ের মাঠে চলছিল সমাবেশের প্রস্তুতি। সমাবেশে প্রথম শ্রেণির ৩১ জনের মধ্যে ৭ জন, দিত্বীয় শ্রেণির ৩০ জনের মধ্যে ১০ জন, তৃতীয় শ্রেণির ২৮ জনের মধ্যে ৩ জন, চতুর্থ শ্রেণির ২০ জনের মধ্যে ১২ জন এবং পঞ্চম শ্রেণির ২০ জনের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থীসহ  ৪৩ জন উপস্থিত ছিল।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবার মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থীর স্কুল ড্রেস ছিল। উপজেলা শিক্ষা অফিসার এত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে একটি নতুন মাদ্রাসা চালু ও তাতে তাঁদের শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার কথা জানান উপস্থিত ৪জন শিক্ষক।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার একজন শিক্ষিকাকে স্কুলে রেখে বাকি ৩জন শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন এবং পুনরায় বিদ্যালয়ে আসবেন বলে শিক্ষকদের জানান। শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সংগ্রহ করতে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে যান। ততক্ষনে উপজেলা শিক্ষা অফিসার অন্য একটি বিদ্যালয় পরিদর্শনে চলে যান।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার সিরাজুল ইসলাম তিন ঘণ্টা পর পুনরায় ঐ বিদ্যালয়ে এলে ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করলেন। তৃতীয় শ্রেণিতে ১১জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৬ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৪ জন নতুন করে শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছে এবং পূর্বের তুলনায় তিন শ্রেণিতে ২১ জন অতিরিক্ত শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছে।

এবার উপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রায় সবার স্কুল ড্রেস পরিহিত অবস্থায় দেখা গেল। দুই শিফটের বিদ্যালয় হওয়ায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী পাওয়া গেল না।

আন্তরিকতার সাথে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে ২১ জন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত করার জন্য শিক্ষকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।

ইত্তেফাক/নূহু