বাসাইল-কাউলজানী সড়কের বেহালদশা

টাঙ্গাইলের বাসাইল-কাউলজানী সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং, ইট, বালু ও খোয়া উঠে খানাখন্দক সৃষ্টি হওয়ায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটির কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত হয়ে ছোট ছোট পুকুরে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনগুলো চলাচল করছে।
 
দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক সংস্কারে বাসাইল পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের কোন উদ্যোগ নেই। বাসাইল-সখীপুর সড়কের বাসাইল কবরস্থান মোড় থেকে বাসাইল উত্তরপাড়া পর্যন্ত বাসাইল পৌরসভার আওতায় এবং বাসাইল উত্তরপাড়া থেকে কাউলজানী পর্যন্ত এলজিইডি’র আওতায় হওয়ায় রাস্তা মেরামত কাজে ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানা গেছে।
 
ভুক্তভোগীরা জানান, বাসাইল-কাউলজানী সড়কের বাসাইল কবরস্থান মোড় থেকে কাউলজানী বোর্ড বাজার পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি উত্তরাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নের সঙ্গে সংযুক্ত এবং উপজেলার উত্তরাঞ্চলের খাদ্যগুদামের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় সড়কটি উত্তরাঞ্চলে যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একমাত্র সড়ক। বাসাইল উপজেলার উত্তরে কালিহাতী ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সখীপুর উপজেলা অবস্থিত। উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ সড়কটি। উপজেলার সদর, কাউলজানী ও ফুলকী ইউনিয়ন ছাড়াও বাসাইল উত্তরপাড়া, কলিয়া, কাউলজানী, সুন্যা, গিলাবাড়ী, ডুমলীবাড়ী, বার্থা, কল্যাণপুর, মলিয়ানপুর, বাদিয়াজানসহ প্রায় ২৫-৩০টি গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। জরুরিভিত্তিতে সড়কটির সংস্কার বা মেরামত করার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
 
অটোভ্যানচালক একাব্বর হোসেন বলেন, বাসাইল থেকে কাউলজানী বোর্ড বাজার পর্যন্ত সড়কটিতে ছোট-বড় প্রায় ৫০টি গর্ত রয়েছে। এখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যাতায়াতে খুবই সমস্যা হয়।
 
এ ব্যাপারে বাসাইল পৌরসভার মেয়র মজিবর রহমান বলেন, সড়কটি এখনো এলজিইডি নিয়ন্ত্রণ করে। তারপরও সড়কের বিভিন্নস্থানে কয়েকবার অস্থায়ীভাবে মেরামত করা হয়েছে।
 
উপজেলা প্রকৌশলী আমজাত হোসেন বলেন, একটি সড়ক তিন বছর পর পর মেরামত করা হয়ে থাকে। এটি তিন বছর হয়েছে কি না আমার জানা নেই। সড়কটি পরিদর্শন করে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।
 
ইত্তেফাক/এসএস