ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন: ইসি শাহাদাৎ চৌধুরী

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিটি ভোটার ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। এজন্য প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তাছাড়া সকল দলের প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনে তাদের প্রচার প্রচারণা স্বাভাবিকভাবে করতে পারে সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 
 
আজ রবিবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজের লবিতে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন, নির্বাচন কমিশনার (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী। এরআগে তিনি খুলনা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আজ বেলা ১১টায় স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির এক সভায় মিলিত হন। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।   
 
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করার কোন পরিকল্পনা কমিশনের নেই। তবে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যা যা প্রয়োজন সে ধরনের সকল প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। 
 
নির্বাচন কমিশনার বলেন, পরিক্ষামূলকভাবে ও জনগণকে অবহিতকরণের লক্ষ্যে এবারের খুলনা সিটি নির্বাচনে একটি ওয়ার্ডে অথবা ৪/৫টি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোকে সিসি টিভির আওতায় আনার জন্য কাজ করা হচ্ছে। 
প্রতিটি কেন্দ্রে ১২জন ও গুরুত্বপূর্ণ (ঝুকিপূর্ণ) কেন্দ্রের জন্য ২২জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অস্ত্রসহ মোতায়েন থাকবে। 
 
তাছাড়া জেলা প্রশাসনের ১৩/১৪জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইতোমধ্যে মাঠে কাজ করছে। আগামী ১৩ মে খুলনা সিটিতে বিজিবি মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও র‌্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষনিক নির্বাচনের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
 
সাংবাদিকদের সঙ্গেকথা বলার সময় উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ, বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, খুলনার রেঞ্জ ডিআইজি দিদার আহমেদ, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির, জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান, র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক খোন্দকার রফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
 
ইত্তেফাক/এমআই